তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সংগঠনের সব স্তরে দলীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যোগ্য ও পরীক্ষিত প্রার্থীদের বিজয়ী করে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে বলেন, ‘যিনি দলের সিদ্ধান্ত মানবেন না, তিনি দলের পরিচয়ও বহন করবেন না।’ ৫ আগস্টের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে যেকোনো নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর তিনি জোর দেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত ও ভোটের মাধ্যমেই কেবল যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদি লুনা ও মোহাম্মদ আব্দুল মালিক তাদের বক্তব্যে বিগত ১৭ বছরের রাজপথের আন্দোলন ও জুলাই সংগ্রামের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর মেধা, সততা, সাধারণ মানুষের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা এবং সামগ্রিক যোগ্যতার মাপকাঠি বিবেচনা করেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গ্রুপিং ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন