|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Sep 8, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

লটারিতে ১,৯১২ কোটি টাকা জিতে প্রায় অর্ধেকই দান করলেন নারী

ইউরোমিলিয়ন্সের বিশাল জ্যাকপট জিতে রাতারাতি বিশ্বের অন্যতম আলোচিত সৌভাগ্যবান ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন ফ্রান্সেস কনলি। ২০১৯ সালে স্বামী প্যাডিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি জিতেছিলেন ১১ কোটি ৫০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৯১২ কোটি টাকার সমান। তবে বিপুল এই অর্থ নিজেদের ভোগ-বিলাসে উড়িয়ে না দিয়ে এর প্রায় অর্ধেক অংশই মানুষের কল্যাণে দান করার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন এই ব্রিটিশ নারী।

স্কাই নিউজ ও এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক সমাজকর্মী ও শিক্ষিকা ফ্রান্সেস লটারির অর্থ হাতে পাওয়ার পর সবার আগে নিজের পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ পুরোপুরি নিরাপদ করেন। এরপর অবশিষ্ট বিশাল অর্থের একটি বড় অংশ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেন এই দম্পতি। এখন পর্যন্ত তারা দাতব্য কাজের পেছনে প্রায় ৮৮৫ কোটি টাকা খরচ করেছেন। দানশীলতার এই কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও ফলপ্রসূ করতে তারা একটি বিশেষ দাতব্য ট্রাস্টও প্রতিষ্ঠা করেছেন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে মার্কিন প্রখ্যাত গায়িকা ও সমাজসেবী ডলি পার্টনের জীবন ও কর্মকাণ্ড তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান ফ্রান্সেস।

এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার পরও ফ্রান্সেস ও প্যাডি দম্পতির জীবনযাত্রায় কোনো বড় পরিবর্তন আসেনি। উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডের একটি প্রশস্ত বাড়িতে সাধারণ ও সাদামাটা জীবনযাপন করছেন তারা। আরামদায়ক ভ্রমণ বা প্রয়োজনীয় আবাসন নিশ্চিত করলেও অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় বিলাসবহুল খরচে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই তাদের। এমনকি নতুন জিনিস কেনার পরিবর্তে ব্যবহৃত ঘড়ি ও পুরোনো মডেলের গাড়ির মতো সেকেন্ড-হ্যান্ড পণ্য ব্যবহার করতেই তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

নিজের বিশাল সম্পদ সাধারণ মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার দর্শন সম্পর্কে ফ্রান্সেস মনে করেন, একজন মানুষ জীবনে ঠিক কী অর্জন করতে চান, তার ওপরই অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি নির্ভর করে। কেউ যদি বিশ্বের অন্যতম ধনী হওয়া বা ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছানোকে জীবনের লক্ষ্য বানান, তবে তিনি অর্থ নিজের কাছে আঁকড়ে রাখতে পারেন। কিন্তু মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সম্পদ হাতে এলে তা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াটাই স্বাভাবিক মানবিকতা। লটারি জেতার সময় পঞ্চাশের কোঠায় থাকা এই নারী জানান, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পর অতিরিক্ত অর্থ কেবল নিজের কাছে জমিয়ে রাখার কোনো মানে হয় না। বরং সেই অর্থ দিয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই তার কাছে জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য ও মানসিক প্রশান্তির বিষয়।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আড়াই মাস পর নিজ মাঠে ফিরছে এনওয়াইসিএফসি, প্রতিপক্ষ রবার্ট লে

1

সবার জন্য ব্যবসার সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

2

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণের ম্যুরাল সরিয়ে ফোয়ারা বা

3

নেত্রকোনায় চুরি ঢাকতে গোপনে ওষুধ পুড়িয়ে ফেলার কথা স্বীকার কর

4

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ভাইরাল ভি

5

সালথায় ইউপি চেয়ারম্যান বাবু মোল্যা গ্রেফতার

6

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবেগপ্রবণ মেসি: ‘আমরা ইতিহাস লিখে ফেলে

7

বিশ্বকাপের ১০ মহাকাব্যিক ম্যাচ

8

হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখি

9

আমার মা সুস্থ ও জীবিত আছেন: রুনা লায়লার মেয়ের ক্ষোভ

10

বার্সেলোনায় যোগ দিতে চান আলভারেজ

11

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন ভারত ‘এ’

12

হাম ও উপসর্গে দেশে মোট মৃত্যু ৬৮৬

13

বারুইপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ: বিক্ষোভে উ

14

জেন-জি অলস ও লিবারেল মগজধোলাইয়ের শিকার: বিতর্কের মুখে ক্যারো

15

হামাসের হামলার ১০ দিন আগে নেতানিয়াহুকে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট

16

সব চোরকে সঙ্গে নিয়ে সাহস থাকলে দেশে ফিরে আসুন: গয়েশ্বর চন্দ্

17

দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার নতুন সময়

18

আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে: বিশ্বকাপ ২০২৬ রাউন্ড অব ৩২ প্রি

19

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে ব্যবসা প্রসারিত করার আহ্বান

20