২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়ার হতাশা পেছনে ফেলে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ২০৩০ সালের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের লক্ষ্য সামনে রেখে দল পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে সেলেসাওরা। দল গঠনে তরুণদের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে ফিফা সম্প্রতি ২৫ বা তার কম বয়সি ১০ জন সম্ভাবনাময় তরুণ ফুটবলারের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ইনজুরি বা অন্য কোনো কারণে যারা ২০২৬ সালের স্কোয়াডে জায়গা পাননি, তারাই হতে পারেন আনচেলত্তির ভবিষ্যতের মূল হাতিয়ার।
ফিফার এই তালিকায় স্থান পাওয়া ১০ তরুণ তুর্কি হলেন: ১. এস্তেভাও (১৯ বছর): ইনজুরির জন্য গত বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও আনচেলত্তির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন এই ফরোয়ার্ড, যিনি ইতিমধ্যে ১১ ম্যাচে ৫ গোল করেছেন। ২. ভিতর রেইস (২০ বছর): জিরোনা থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে ফেরা প্রতিভাবান সেন্টার-ব্যাক। ৩. কাইকি ব্রুনো (২৩ বছর): ক্রুজেইরো থেকে ইতালির কোমোতে ধারে খেলতে যাওয়া সম্ভাবনাময় লেফট-ব্যাক। ৪. ওয়েসলি (২২ বছর): রোমার হয়ে খেলা এই ফুটবলার মূল পজিশন রাইট-ব্যাক হলেও বাঁ দিকেও সমান পারদর্শী। ৫. আন্দ্রেই সান্তোস (২২ বছর): চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নাম লেখানো প্রতিভাবান মিডফিল্ডার। ৬. জোয়াও পেদ্রো (২৪ বছর): প্রিমিয়ার লিগে চেলসির জার্সিতে ১৫ গোল করা ফরোয়ার্ড। ৭. জোয়াও গোমেস (২৫ বছর): উলভস থেকে অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দেওয়া নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার। ৮. কাইও জর্জ (২৪ বছর): ২০২৫ সালের ব্রাজিলিয়ান লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই স্ট্রাইকার। ৯. ভিতর রোকে: বার্সেলোনা অধ্যায় শেষে ব্রাজিলে ফিরে নিয়মিত গোল করে ফর্মে ফেরা পালমেইরাসের ফরোয়ার্ড। ১০. ইগর জেসুস (২৫ বছর): নটিংহাম ফরেস্টের হয়ে প্রথম মৌসুমেই ১৬ গোল করে নজর কাড়া ফরোয়ার্ড।
আসন্ন প্রীতি ম্যাচগুলোতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাউনসভিলে (২৫ সেপ্টেম্বর) ও ব্রিসবেনে (২৯ সেপ্টেম্বর) এবং ভারতের বিপক্ষে কলকাতায় (৩ অক্টোবর) এই তরুণদের কার্যকারিতা যাচাই করে দেখতে পারেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
মন্তব্য করুন