দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আপনি কি খুব রোগা? তবুও হতে পারে উচ্চ কোলেস্টেরল, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞ

০ শেয়ার
আপনি কি খুব রোগা? তবুও হতে পারে উচ্চ কোলেস্টেরল, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞ
ফাইল ছবি

শারীরিকভাবে রোগা বা ফিট থাকলেই উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি নেই,এমন ধারণা ভুল। কোলেস্টেরলকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। বিস্তারিত জানতে পড়ুন আজকের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • শারীরিকভাবে রোগা বা ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলেই উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না।
  • অনেকেই মনে করেন উচ্চ কোলেস্টেরল কেবল অতিরিক্ত ওজনের মানুষ বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল।
  • যুক্তরাজ্যের নিউ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের পরামর্শক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জো এস্ট্রোলক্স জানিয়েছেন, বয়স, ওজন বা বাহ্যিক ফিটনেস যাই হোক না কেন, সবার জন্যই উচ্চ কোলেস্টেরল একটি বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে।

শারীরিকভাবে রোগা বা ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলেই উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। অনেকেই মনে করেন উচ্চ কোলেস্টেরল কেবল অতিরিক্ত ওজনের মানুষ বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। যুক্তরাজ্যের নিউ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের পরামর্শক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জো এস্ট্রোলক্স জানিয়েছেন, বয়স, ওজন বা বাহ্যিক ফিটনেস যাই হোক না কেন, সবার জন্যই উচ্চ কোলেস্টেরল একটি বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, উচ্চ কোলেস্টেরলকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয় কারণ এটি শরীরের ভেতরে দীর্ঘ সময় কোনো দৃশ্যমান উপসর্গ বা লক্ষণ তৈরি করে না। বাহ্যিকভাবে সুস্থ বা স্লিম দেখালেও অনেকের রক্তে এলডিএল বা নিম্ন-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা বিপজ্জনক হারে বেশি থাকতে পারে। এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ধমনির দেয়ালে জমে রক্তনালি সংকুচিত করে ফেলে, যা ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো গুরুতর সমস্যার পথ তৈরি করে।

স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং সুষম খাবার গ্রহণ অবশ্যই হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখার প্রাথমিক ধাপ। তবে এই অভ্যাসগুলো কোলেস্টেরল স্বাভাবিক থাকার শতভাগ নিশ্চয়তা দেয় না। শরীরের ভেতরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কেমন তা জানার একমাত্র নির্ভরযোগ্য উপায় হলো নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা। ডা. এস্ট্রোলক্স বিশেষ করে তাদের নিয়মিত পরীক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন, যাদের পরিবারে আগে থেকেই হৃদরোগ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের ইতিহাস রয়েছে।

আমাদের শরীরের রক্তে এইচডিএল বা উচ্চ-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। যদি রক্তে এইচডিএল-এর মাত্রা কমে যায়, তবে শরীর ক্ষতিকর কোলেস্টেরল অপসারণের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। তাই সুস্থ থাকার আত্মতুষ্টিতে না ভুগে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করা জরুরি। সময়মতো ঝুঁকি শনাক্ত করা গেলে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে হৃদরোগের মারাত্মক আশঙ্কা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বেলুচিস্তানে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলা: চার দিনে সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ নিহত ৯৬

2

গ্রিজম্যানের জাদুকরী পারফরম্যান্সে ডিসি ইউনাইটেডকে উড়িয়ে দিল অরল্যান্ডো সিটি

3

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের অধিকার নেই: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের

4

ক্রয়-বিক্রয়ে মধ্যস্থকারীর পারিশ্রমিক কে দেবে? ইসলাম যা বলে

5

খামেনির জানাজায় সবাইকে শেষ করার সুযোগ ছিল, কিন্তু আলোচনা চেয়েছি: ট্রাম্প

6

কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী বাংলাদেশি হাফেজ জাকারিয়া

7

সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষায় ‘শিক্ষক সুরক্ষা আইন’ চালুর দাবি শিক্ষিকা বিউটি রানীর

8

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু: শোকের ছায়া

9

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন দায়িত্ব পেলেন সালাহউদ্দিন আহমদ: প্রজ্ঞাপন জারি

10

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫৭ গাড়ি নিয়ে লংমার্চের ঘোষণা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর