সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বগুড়ার শাহেদ আহমেদ আশিকের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার সকালে শাহজালাল বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মরদেহ গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
সৌদি আরবের রিয়াদে বিমানবন্দর হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী শাহেদ আহমেদ আশিকের (৩৫) মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহটি পৌঁছায়।
বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মরদেহ গ্রহণ করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আশিকের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামে। তিনি রফিকুল ইসলামের ছেলে।
গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় ১৩ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি। ওই হামলায় আহত হন মোট ৩০৮ জন। আশিক সৌদি আরবের সাদ আল-এসা কন্ট্রাক্টিং কোম্পানিতে কাজ করতেন।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে পরিবারকে দাফন ও পরিবহন বাবদ ৩৫ হাজার এবং বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার, মোট ৮৫ হাজার টাকা তাৎক্ষণিক দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিয়োগকর্তা প্রতিষ্ঠান তার বেতন-ভাতা ও সার্ভিস বেনিফিট বাবদ প্রায় ৯ লাখ টাকার সমপরিমাণ সৌদি রিয়াল রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের হিসাবে জমা দিয়েছে, যা বোর্ডের মাধ্যমে পরিবারের হাতে পৌঁছাবে। বিএমইটি কার্ড থাকলে আরও ৩ লাখ টাকা এবং বীমা সুবিধা হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারে পরিবারটি।
একই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আছেন। সম্প্রতি মক্কা অঞ্চলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির রায়ের অনুলিপি আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়েছে ঢাকা।