দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 28, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বকাপ ২০২৬: আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের প্রাণ জিওভানি লো সেলসোর গল্প

০ শেয়ার
বিশ্বকাপ ২০২৬: আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের প্রাণ জিওভানি লো সেলসোর গল্প
সংগৃহীত

চোট কাটিয়ে ফিরে বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নতুন রূপে জিওভানি লো সেলসো। মেসির পাশাপাশি আর্জেন্টিনার জয়ে নেপথ্যের কারিগর হিসেবে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ফুটবলের মঞ্চে সাধারণত গোলদাতারা শিরোনামে থাকেন, কিন্তু ম্যাচের শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করেন যারা, তাদের প্রভাব থাকে আরও গভীরে।
  • ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল আর্জেন্টিনার রোসারিওতে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার ছোটবেলা থেকেই যেন ফুটবলকে নিজের ভাষায় কথা বলতে শিখিয়েছেন।
  • গোল করার চেয়ে গোল তৈরির কারিগর হিসেবে খ্যাতি পাওয়া লো সেলসোর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল রোসারিও সেন্ট্রাল থেকে।

ফুটবলের মঞ্চে সাধারণত গোলদাতারা শিরোনামে থাকেন, কিন্তু ম্যাচের শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করেন যারা, তাদের প্রভাব থাকে আরও গভীরে। এমনই একজন নিভৃতচারী শিল্পী জিওভানি লো সেলসো। ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল আর্জেন্টিনার রোসারিওতে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার ছোটবেলা থেকেই যেন ফুটবলকে নিজের ভাষায় কথা বলতে শিখিয়েছেন। গোল করার চেয়ে গোল তৈরির কারিগর হিসেবে খ্যাতি পাওয়া লো সেলসোর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল রোসারিও সেন্ট্রাল থেকে। এরপর পিএসজি, রিয়াল বেতিস এবং টটেনহ্যাম হটস্পারের মতো ক্লাবে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম কার্যকর মিডফিল্ডার।

২০২৬ বিশ্বকাপ লো সেলসোর ক্যারিয়ারে এক নতুন আবেগের অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হয়েছে। গত বিশ্বকাপে চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে দল থেকে ছিটকে যাওয়ার যন্ত্রণার পর এবার তিনি ফিরেছেন নতুন স্বপ্ন নিয়ে। গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার জয়যাত্রায় তিনি নিজের ছাপ রেখেছেন দারুণভাবে। বিশেষ করে ম্যাচের ১৯ মিনিটে সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে তার গোলটি ছিল চলতি বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি ছাড়া অন্য যেকোনো আর্জেন্টাইন ফুটবলারের প্রথম গোল। পুরো ম্যাচজুড়ে মাঝমাঠে তার বল বণ্টন, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা আর্জেন্টিনাকে প্রতিটি ম্যাচে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।

তার ফুটবল জীবন আসলে এক ধৈর্যের পরীক্ষা এবং ধারাবাহিক সংগ্রামের গল্প। লো সেলসো মাঠে নিজে খুব একটা কথা বলেন না, কিন্তু তার বাঁ পায়ের স্পর্শে বল যখন ছোটে, তখন তা প্রতিপক্ষের পরিকল্পনাকে মুহূর্তেই ধূলিসাৎ করে দেয়। মাঠে বলকে কথা বলতে দেওয়া এই কারিগর আর্জেন্টিনার গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের তিনটিতেই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন। অনেক বড় জয়ের নেপথ্যে থাকা এই নীরব নায়ক হয়তো সবসময় পোস্টারের সামনের সারিতে থাকেন না, কিন্তু আর্জেন্টিনার বর্তমান স্কোয়াডে তিনি যে অপরিহার্য, তা এখন বিশ্ব ফুটবল স্পষ্ট দেখছে। রোসারিওর সেই ছোট্ট ছেলেটি থেকে আজকের বিশ্বমঞ্চের তারকা হয়ে ওঠার এই যাত্রা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম।

সূত্র: ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ প্রতিবেদন।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে চায় ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

2

২৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে বাংলাদেশ: হারারে টেস্টে জিম্বাবুয়ের দাপট

3

৬ দিনে দুই ফিফটি মোসাদ্দেকের, লিটনের রেকর্ড

4

থাইল্যান্ডে আবিষ্কৃত ২ হাজার বছরের প্রাচীন সোনার আংটি ও ব্রাহ্মী লিপি

5

মধ্যপ্রাচ্যে কি মার্কিন নির্ভরতা কমছে? মক্কা চুক্তির নেপথ্য সমীকরণ

6

রাজনীতিতে কি যোগ দিচ্ছেন ককরোচ পার্টির নেতারা? যা বললেন শীর্ষ নেতারা

7

তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক জয়

8

বিটিএসের বয়কটের মুখে এশিয়ান পপ ক্যাটাগরি পুনর্বিবেচনা করছে গ্র্যামি

9

মানুষের ভালোবাসা নিয়ে ঠাকুরগাঁও ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি

10

প্রতিটি ক্যাম্পে নিরাপদ পানি, ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হবে: আমিনুল হক