দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 20, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা: যা বললেন কোচ স্কালোনি

০ শেয়ার
মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা: যা বললেন কোচ স্কালোনি

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুলেছেন কোচ স্কালোনি। তিনি জানান, অবসরের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ মেসির নিজের।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব ফুটবলের বরপুত্র লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে তীব্র আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে।
  • উনচল্লিশ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের জন্য এই মেগা আসরটিই কি তার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ফুটবল অঙ্গনে এখন এটিই সবচেয়ে বড় এবং আলোচিত প্রশ্ন।
  • তবে এসব গুঞ্জনের মাঝেই আর্জেন্টিনার সফল কোচ লিওনেল স্কালোনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় দল থেকে বুট জোড়া তুলে নেওয়ার বা অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত একান্তভাবেই মেসির ব্যক্তিগত ব্যাপার।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব ফুটবলের বরপুত্র লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে তীব্র আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে। উনচল্লিশ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের জন্য এই মেগা আসরটিই কি তার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ফুটবল অঙ্গনে এখন এটিই সবচেয়ে বড় এবং আলোচিত প্রশ্ন। তবে এসব গুঞ্জনের মাঝেই আর্জেন্টিনার সফল কোচ লিওনেল স্কালোনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় দল থেকে বুট জোড়া তুলে নেওয়ার বা অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত একান্তভাবেই মেসির ব্যক্তিগত ব্যাপার।

বিশ্বকাপ ফাইনালের চরম উত্তেজনাকর ম্যাচ শেষে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণমাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে কোচ স্কালোনি তার মনের কথা খোলামেলাভাবে প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘লিওনেল মেসির বয়স এখন ৩৯ বছর। বিষয়টি সত্যিই অবিশ্বাস্য ও অলৌকিক। তবে শুরু থেকেই আমার কাছে তার ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গি একদম পরিষ্কার ছিল সে যতদিন পর্যন্ত ফুটবল মাঠে খেলে যেতে চাইবে, ততদিনই সে জাতীয় দলে খেলবে। দলের প্রতিটি সদস্য, তার প্রিয় সতীর্থরা এবং চারপাশের সবাই তাকে সবসময় একইভাবে সমর্থন ও আগলে রাখবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তার অসামান্য অর্জন ও অবদান নিয়ে পুরো দেশ আজ গর্বিত। কারণ আমার কাছে সে কেবল একজন সাধারণ খেলোয়াড় নয়, সে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সময় গত রবিবার দিবাগত রাত ১টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মহারণে মুখোমুখি হয়েছিল দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও স্পেন। টানটান উত্তেজনার সেই ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের দীর্ঘ ১২০ মিনিটের খেলা শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে বিশ্বমুকুট নিজেদের করে নেয় স্পেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত বল পজিশন বজায় রেখে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে একের পর এক ভীতি ছড়াতে থাকে স্প্যানিশ ফুটবলাররা। খেলার বয়স তখন সবেমাত্র তিন মিনিট, এর মধ্যেই তারা পরপর দুটি আক্রমণ শাণায়। ডানপ্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে আক্রমণে উঠে স্প্যানিশরা আর্জেন্টিনার বিপদসীমায় ত্রাসের সৃষ্টি করে। সে সময় বক্সের ভেতর থেকে দারুণ একটি শট নেন তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল, যা প্রথমে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে প্রতিহত হওয়ার পর গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের গ্লাভসে গিয়ে জমা হয়। পরের আক্রমণটি অবশ্য দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করে দেয় আর্জেন্টিনার জমাট রক্ষণভাগ।

তবে এর রেশ কাটতে না কাটতেই খেলার চতুর্থ মিনিটে দারুণ একটি কাউন্টার-অ্যাটাক বা প্রতিআক্রমণ থেকে স্পেনকে বড় বিপদে ফেলার সুযোগ তৈরি করেছিল আর্জেন্টিনা। বল পায়ে নিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বামপ্রান্ত ধরে আক্রমণে এগিয়ে যাচ্ছিল আলবিসেলেস্তেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সে সময় নিজের গোলপোস্ট ছেড়ে প্রায় মাঝমাঠ পর্যন্ত দৌড়ে এসে সেই বিপজ্জনক আক্রমণ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন।

খেলার ১৮ মিনিটের মাথায় স্পেনের আক্রমণভাগের ফুটবলাররা আবারও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে হানা দেন। নিজেদের অর্ধ থেকে বাড়ানো একটি লম্বা বল নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্রুত বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন লামিন ইয়ামাল। সে সময় তার পিছু নেওয়া ডিফেন্ডারকে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে কাটিয়ে ছয় গজ বক্সের ভেতর একটি বিপজ্জনক ক্রস বাড়িয়েছিলেন তিনি। তবে সতীর্থ খেলোয়াড় পা ছোঁড়ার আগেই বিশ্বস্তহাতে সেই বল লুফে নেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

এরপর ম্যাচের মধ্যলগ্নে খেলার গতি কিছুটা মন্থর হয়ে আসে এবং দুই দলের খেলোয়াড়েরা মূলত মাঝমাঠের দখল ধরে রাখতে নিজেদের মধ্যে কড়া লড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে বেশ কিছুক্ষণ উভয় দলের জন্যই আক্রমণ গড়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এরপর ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে আরও একবার আর্জেন্টিনাকে বড় পরীক্ষার মুখে ফেলে দেয় স্প্যানিশরা। বামপ্রান্ত ধরে দারুণ একটি আক্রমণ তৈরি করে বল পাসিংয়ের মাধ্যমে ডানপ্রান্তে ফাঁকায় থাকা মিকেল ওইয়ারাসাবালের কাছে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বক্সের বাইরে থেকে তিনি তখন অত্যন্ত জোরালো একটি শট নিলেও, অভিজ্ঞ মার্টিনেজের দৃঢ়তায় সেই বল রুখতে স্প্যানিশদের কোনো বড় ধরনের বেগ পেতে হয়নি।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দলীয় বৈঠক

2

শুদ্ধতার মধ্যে আমরা লালন চর্চা করি’

3

এআই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়ে অ্যানথ্রপিকের গবেষকের পদত্যাগ

4

নাটোরে সোনালী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত, ২ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগ

5

ব্যবসা সহজ করতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন

6

সিলেট জেলা বিএনপির সভায় হুশিয়ারি

7

গ্রেগর কোবেল: গোলপোস্টের নিচে এক অদম্য দেয়াল

8

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: অভিযোগ গঠনের আদেশ ২৩ সেপ্টেম্বর

9

দিল্লিতে 'কালো জরুরি অবস্থা' জারি করেছে বিজেপি: আম আদমি পার্টি

10

তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি বাড়াতে ২০ নতুন বাজারে নজর বাংলাদেশের