দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 29, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

জমির শ্রেণি নির্ধারণে জটিলতা দূর করল নিবন্ধন অধিদপ্তর: খতিয়ানই হবে মূল ভিত্তি

০ শেয়ার
জমির শ্রেণি নির্ধারণে জটিলতা দূর করল নিবন্ধন অধিদপ্তর: খতিয়ানই হবে মূল ভিত্তি

দলিল রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে খাজনার রশিদের পরিবর্তে সর্বশেষ খতিয়ানে উল্লেখিত জমির শ্রেণিই এখন থেকে মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে নিবন্ধন অধিদপ্তর।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় জমির শ্রেণি নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিভ্রান্তি নিরসনে নতুন ও স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করেছে নিবন্ধন অধিদপ্তর।
  • এখন থেকে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনার রশিদে উল্লেখিত ‘আবাসিক’, ‘বাণিজ্যিক’ বা ‘শিল্প’ শ্রেণি আর বিবেচ্য হবে না।
  • পরিবর্তে, সংশ্লিষ্ট জমির সর্বশেষ প্রকাশিত খতিয়ানে উল্লেখিত জমির প্রকৃতিকেই মূল্য নির্ধারণ এবং দলিল রেজিস্ট্রেশনের মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় জমির শ্রেণি নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিভ্রান্তি নিরসনে নতুন ও স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করেছে নিবন্ধন অধিদপ্তর। এখন থেকে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনার রশিদে উল্লেখিত ‘আবাসিক’, ‘বাণিজ্যিক’ বা ‘শিল্প’ শ্রেণি আর বিবেচ্য হবে না। পরিবর্তে, সংশ্লিষ্ট জমির সর্বশেষ প্রকাশিত খতিয়ানে উল্লেখিত জমির প্রকৃতিকেই মূল্য নির্ধারণ এবং দলিল রেজিস্ট্রেশনের মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. নূর ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহের জেলা রেজিস্ট্রারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সাব-রেজিস্ট্রারদের দলিল নিবন্ধনের সময় অবশ্যই জমির সর্বশেষ চূড়ান্ত খতিয়ান বা এর সহিমুহুরী নকল যাচাই করে জমির প্রকৃত প্রকৃতি ও বাজারমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, উক্ত সম্পত্তি সরকারি কিনা, তা দলিল লেখক ও নিবন্ধন কর্মকর্তাকে বিশেষভাবে যাচাই করতে বলা হয়েছে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দ্য রেজিস্ট্রেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০০৪’-এর ৫২এ ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ চূড়ান্ত খতিয়ান যাচাই করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া, ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী খাজনার রশিদে যে শ্রেণি উল্লেখ থাকে, তা কেবল কর নির্ধারণের উদ্দেশেই ব্যবহৃত হয়; দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জমির প্রকৃত ব্যবহারের শ্রেণি নির্ধারণে এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

নিবন্ধন অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের সব জেলা রেজিস্ট্রারকে এই নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সাব-রেজিস্ট্রারকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্বচ্ছ নির্দেশনার ফলে জমির শ্রেণি ও মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা দূর হবে এবং সারাদেশে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন ও সুশৃঙ্খল নীতিমালা অনুসরণ নিশ্চিত হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে এবং ভূমিসংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া আরও সহজতর হবে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

পুত্রসন্তানের বাবা হলেন অনুপম রায়, বর্ষামুখর দিনে মা হলেন প্রস্মিতা

2

ভারতের বিপক্ষে ‘লজ্জার রেকর্ড’ থেকে মুক্তি পেল বাংলাদেশ

3

পচা সিস্টেম পরিবর্তন হবেই, তবে পরিবর্তন শুরু করতে হবে ঘর থেকে: সারজিস আলম

4

ইতিহাসের সংক্ষিপ্ততম টেস্ট ম্যাচ: মাত্র দুই দিনেই শেষ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ

5

আজ ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

6

জমি অধিগ্রহণে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার

7

চীন সফরে গিয়ে বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটির তোপের মুখে লিটন দাস

8

জানুয়ারির প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল, গণভোটের ইঙ্গিত

9

সিয়াটলে মুখোমুখি ইরান ও মিশর: বিশ্বকাপের ‘প্রাইড ম্যাচ’ নিয়ে অস্বস্তি

10

পানি না খেয়ে বরফ চিবিয়ে তৃষ্ণা মেটাতেন দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা