|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 25, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সংকটের ৯ বছর: অনিশ্চয়তার মাঝেও নিজ দেশে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে সামরিক নিপীড়নের মুখে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের আজ ৯ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষ জীবন বাঁচাতে উখিয়া ও টেকনাফের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। দীর্ঘ এই সময়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা এবং তালিকা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চললেও বাস্তবে একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাখাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্ষমতার সমীকরণ বদলালেও ঘরে ফেরার পথ এখনো ঘোর অনিশ্চিত।

রাখাইনে বর্তমানে মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সংঘাতই প্রত্যাবাসনের সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে অঞ্চল চলে যাওয়ায় এবং ২০২৪ ও ২০২৫ সালে নতুন করে সংঘাতের কারণে আরও অনেক রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের মূল উদ্বেগ তাদের নিরাপত্তা, নিজ ভূমির মালিকানা এবং মৌলিক অধিকার রক্ষা নিয়ে। মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রহীন অবস্থায় রয়েছেন। ইউএনএইচসিআর এবং বিভিন্ন অধিকারকর্মীদের মতে, নাগরিকত্ব ও সমানাধিকার নিশ্চিত না হলে এই প্রত্যাবাসন টেকসই হবে না।

বাংলাদেশ সরকার ৮ লাখ ২৮ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারের কাছে পাঠালেও যাচাই-বাছাইয়ের গতি অত্যন্ত ধীর এবং তা এখনো কোনো কার্যকর প্রত্যাবাসনে রূপ নেয়নি। এছাড়া দীর্ঘ ৯ বছর ধরে এই দীর্ঘমেয়াদি সংকটের ফলে উখিয়া ও টেকনাফের স্থানীয় অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারাও চান রোহিঙ্গারা নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাক। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয় জানিয়েছে যে সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে সরকার। সব বাধা ও শঙ্কা সত্ত্বেও নিজেদের ঘর, ভূমি ও পরিচিত পরিচয়ে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন এখনো বুক বেঁধে রেখেছেন বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কেন শিবিরের রাজনীতি ছেড়েছিলেন, খোলাসা করলেন নাসিরুদ্দীন পাটও

1

মুমিনুলের দারুণ ফিফটি: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারে টেস্টে শক্

2

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে রোনালদোর লড়াই

3

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে দুই বছরের কা

4

গত ১৭ বছরে ছাত্রদল-যুবদলের এমন প্রতাপশালী রূপ দেখিনি: মজিবুর

5

শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না: মাওলা

6

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল: আর্জেন্টিনা বনাম স্পেন - কখন, কোথায় দে

7

ঢাকার আদালতে বিচারকের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া ‘কোর্ট ম্যারেজ’

8

পুনের মোশি ডাম্পিং ইয়ার্ডে ময়লার স্তূপ ধসে ৮ জনের মৃত্যু

9

আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গঠনে উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি ইরানে

10

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড় ধাক্কা সুইজার

11

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তে বিদ্যুৎ বিভাগের কঠোর নি

12

জুলাই সংস্কার অধ্যাদেশ ও গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টের

13

পাবনায় রূপপুর প্রকল্পের রুশ নাগরিকবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষ

14

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ঋণ নীতিমালা: গাড়ি ও ব্যক্তিগত ঋণে বড়

15

গোল্ডেন বুট নিয়ে ভাবছেন না এমবাপ্পে, মূল লক্ষ্য বিশ্বকাপ জয়

16

পিএসজির হার বাঁচাল তোরেসের জোড়া গোল

17

‘বন্দেমাতরম’ গান নিয়ে বিজেপির নিশানা সোনিয়া গান্ধীকে, তীব্র

18

নাইটক্লাবে মারামারির ঘটনায় আইনি বিপাকে ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকা

19

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সুখবর: নতুন বেতনকাঠামো জুলাই থেকে ক

20