সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। পদত্যাগের আগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আবেদন করেছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় বিচারপতি রেজাউল হাসান পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলায় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নাম ও যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষভুক্ত না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে এই অভিযোগগুলো তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে তদন্ত প্রক্রিয়া চলাকালীন বা তার আগেই তিনি ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে পদত্যাগ করেন। বিচারবিভাগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদত্যাগ এবং এর পেছনের অভিযোগগুলো বর্তমানে আইন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্য করুন