দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 3, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাল বিক্রি শুরু, চলবে চার মাস

০ শেয়ার
১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাল বিক্রি শুরু, চলবে চার মাস

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি শুরু করেছে সরকার। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
  • ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় গত শনিবার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং আগামী চার মাস অর্থাৎ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে।
  • এছাড়া নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ২০২৭ সালের মার্চ ও এপ্রিল এই দুই মাসও চাল বিক্রি করা হবে।

দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় গত শনিবার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং আগামী চার মাস অর্থাৎ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ২০২৭ সালের মার্চ ও এপ্রিল এই দুই মাসও চাল বিক্রি করা হবে। সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মোট ৫৫ লাখ কার্ডধারী উপকারভোগী এই সাশ্রয়ী মূল্যের চাল কেনার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে ২৪৮টি উপজেলার ২৫ লাখ ২৯ হাজার কার্ডধারী পুষ্টিচাল এবং ২৪৭টি উপজেলার ২৯ লাখ ৭১ হাজার উপকারভোগী সাধারণ চাল সংগ্রহ করতে পারবেন। একই সঙ্গে সারা দেশে ১ হাজার ১০৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে খোলাবাজারে বিক্রি (ওএমএস) কার্যক্রমের আওতায় নিয়মিত চাল ও আটা বিক্রিও চালু রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, চার বছর আগে এই চালের দাম ১০ টাকা কেজি থাকলেও ২০২২-২০৩ অর্থবছর থেকে তা বাড়িয়ে ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ডিলারদের কাছ থেকে এই চাল সংগ্রহ করতে হয় উপকারভোগীদের।

এদিকে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ২ আগস্ট পর্যন্ত মোট খাদ্য মজুতের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ টন। এর মধ্যে চাল ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ টন, গম ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ টন এবং ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ টন ধান মজুত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ৫০ লাখ পরিবারকে লক্ষ্য করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’ চালু করা হয়। গ্রামাঞ্চলে বাস্তবায়ন হওয়া এই কর্মসূচিতে বিধবা, বয়স্ক, নারী ও নিম্ন আয়ের দুস্থ পরিবারপ্রধানদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। সাধারণত মার্চ-এপ্রিল এবং আগস্ট থেকে নভেম্বর এই ছয় মাস গরিব মানুষের আয়ের সুযোগ কম থাকায় সরকার খাদ্যবান্ধব ও ওএমএস উভয় কর্মসূচিতেই বড় অংকের ভর্তুকি প্রদান করে আসছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

2

মেহেরপুর সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিককে ধরে নেওয়ার পর দুই ভারতীয়কে আটক করল গ্রামবাসী

3

দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা

4

নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলে আইনি প্রতিকারের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

5

৬৭৮ কোটি টাকার চোরাচালান ও মানিলন্ডারিং মামলা

6

অকল্যান্ড এফসিকে হারিয়ে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু করল টটেনহ্যাম হটস্পার

7

উত্তর কোরিয়াকে ৩ কোটি ২৫ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ সিউল আদালতের

8

আমি ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক, ছেলে আর্জেন্টিনা: অপু বিশ্বাস

9

পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলো কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ

10

কেন নেইমারকে ‘জোকার’ বললেন রেমোর সভাপতি? জানুন ম্যাচের পেছনের চাঞ্চল্যকর ঘটনা