দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Sep 16, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

জাপানে প্রথমবার ১ লাখ ছাড়াল শতায়ু মানুষের সংখ্যা

০ শেয়ার
জাপানে প্রথমবার ১ লাখ ছাড়াল শতায়ু মানুষের সংখ্যা

জাপানে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার কারণে দীর্ঘায়ুর রেকর্ড গড়লেও কমছে জন্মহার।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • জাপানে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১ লাখের মাইলফলক ছাড়িয়েছে।
  • দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
  • বর্তমানে জাপানে মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৭৭ জন শতায়ু মানুষ রয়েছেন, যা বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ এবং এর মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশই নারী।

জাপানে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১ লাখের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। বর্তমানে জাপানে মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৭৭ জন শতায়ু মানুষ রয়েছেন, যা বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ এবং এর মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশই নারী। দেশটির বার্ষিক ‘বয়স্কদের প্রতি সম্মান’ দিবস উপলক্ষে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে শতবর্ষী প্রবীণদের ঐতিহ্যবাহী মদের পেয়ালা ও ব্যক্তিগত চিঠি উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপানিদের দীর্ঘায়ুর প্রধান রহস্য হলো তাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও সক্রিয় জীবনযাপন। দেশটির ঐতিহ্যবাহী খাবারে মাছ, শাকসবজি ও ভাতের প্রাধান্য থাকার পাশাপাশি সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশ কম থাকে। এছাড়া বয়স্ক জাপানিরা নিয়মিত হাঁটাচলা, সাইকেল চালানো এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে নিজেদের শরীর সক্রিয় রাখেন। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে মানুষের গড় আয়ু বাড়লেও একই সঙ্গে দেশটিতে বড় ধরনের জনমিতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। জাপানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশের বয়স এখন ৬৫ বছর বা তার বেশি, যা ২০৭০ সালের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দীর্ঘায়ুর এই ইতিবাচক খবরের পাশাপাশি দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জন্মহার হ্রাসের সংকট চলছে। গত বছর জাপানের মোট প্রজনন হার রেকর্ড সর্বনিম্ন ১ দশমিক ২০১৪-তে নেমে গেছে, যার ফলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটিতে শিশুদের তুলনায় প্রাপ্তবয়স্কদের ডায়াপার বেশি বিক্রি হচ্ছে। বিয়ের হার কমে যাওয়া, নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সন্তান লালন-পালনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকার নানা প্রণোদনা ও ভর্তুকি দিয়েও জন্মহার বাড়াতে সফল হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এই পরিস্থিতিকে ‘নীরব জরুরি অবস্থা’ ও ‘অস্তিত্বের সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ১৯৬৩ সালে জাপানে প্রথম যখন শতায়ু মানুষের হিসাব শুরু হয়েছিল, তখন এই সংখ্যা ছিল মাত্র ১৫৩ জন; সেখান থেকে আজ ১ লাখে পৌঁছানো যেমন দেশটির চিকিৎসা ব্যবস্থার সফলতা নির্দেশ করে, তেমনই ভবিষ্যৎ জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতা নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ডেঙ্গুর পিক সময় আসছে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

2

শেয়ারবাজারে চাঙ্গা ভাব

3

‘বন্দেমাতরম’ গান নিয়ে বিজেপির নিশানা সোনিয়া গান্ধীকে, তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক

4

সুস্থ কিডনির রহস্য: দৈনন্দিন অভ্যাসেই দূরে রাখুন নীরব ঘাতক

5

কিশোরগঞ্জ থেকে ফ্যামিলি কার্ডের মূল কর্মসূচি শুরু ১৬ আগস্ট

6

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ও পাকিস্তানের ভূমিকা

7

ব্রাজিলে মুসলমানদের ইতিহাস: সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও বর্তমান সাফল্যের গল্প

8

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে ৬৪৭ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

9

লুহান-দ্রে প্রিটোরিয়াসের দুর্দান্ত ৯৪ রান: জিম্বাবুয়েকে ৪৩ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

10

অবসর নিয়ে যা বললেন অমিতাভ বচ্চন