যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাচ্ছে মর্মে গণমাধ্যমে তথ্য ফাঁসকারীদের কঠোরহস্তে দমন করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক কড়া বার্তায় তিনি এই তথ্য ফাঁসকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহমূলক’ কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ডসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক সহায়তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের ভাণ্ডারে টান পড়েছে। তবে ট্রাম্প এই সমস্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংরক্ষিত রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জামের কোনো ঘাটতি নেই। পাশাপাশি দেশের চাহিদা মেটাতে নতুন অস্ত্র উৎপাদনের গতি বাড়ানো হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ে তা সরবরাহ করা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তার দাবি, বর্তমান মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্প ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশের সামরিক সক্ষমতাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে। মূলত অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে দাবি করে ট্রাম্প অভ্যন্তরীণ গোপনীয়তা রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে তথ্য চুইয়ে পড়ার এই ঘটনাকে অত্যন্ত কঠোরভাবে দেখছেন, যা দেশটিতে নতুন করে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্য করুন