দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 12, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন: ৪ দিন ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

০ শেয়ার
বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন: ৪ দিন ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

টানা চার দিনের বন্যায় বান্দরবানের সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। হাজারো মানুষ পানিবন্দি এবং খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে।
  • রোববার (১২ জুলাই) পর্যন্ত জেলাটির সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ টানা চতুর্থ দিনের মতো বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
  • একইসঙ্গে জেলার সাতটি উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে পাহাড়ধস এবং বন্যার পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) পর্যন্ত জেলাটির সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ টানা চতুর্থ দিনের মতো বিচ্ছিন্ন রয়েছে। একইসঙ্গে জেলার সাতটি উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে পাহাড়ধস এবং বন্যার পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে পুরো জেলাটি যেন বাইরের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া বিরতিহীন এই বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জেলা শহরে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এবং বাজারে মাছ, মাংস ও শাকসবজির মতো জরুরি পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে থাকা অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষদের অভিযোগ, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম চললেও সেখানে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।

পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে মাইকিং করে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রুমা ও থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর উজানে ভারী বৃষ্টির ফলে বিকালের দিকে বন্যার পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে এবং একটি জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানিয়েছেন যে, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তবে প্রকৃতি যেন এখনো দুর্যোগের হাত থেকে বান্দরবানকে মুক্তি দিচ্ছে না। দুর্গত মানুষদের জন্য এই সংকটময় মুহূর্তে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

বান্দরবানের এই বন্যা পরিস্থিতির উন্নয়নে ও দুর্গত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত সহযোগিতা কি যথেষ্ট বলে আপনি মনে করেন?

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ১৬ জেলের অলৌকিক প্রাণরক্ষা, নিখোঁজ ২

2

লালবাগে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ আ.লীগ নেত্রী শারমিন সুলতানা সর্মি গ্রেফতার

3

স্বামীকে খুনের পর পেট কেটে অঙ্গ বের করার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

4

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১০৪৪ ভরি স্বর্ণ ও বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা

5

গোল ও অ্যাসিস্টে এগিয়ে থেকেও কেন গোল্ডেন বল পেলেন না মেসি, কারণ জানাল ফিফা

6

তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি বাড়াতে ২০ নতুন বাজারে নজর বাংলাদেশের

7

অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে লাল বলের আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক অর্জন নিয়ে ফিরছে বাংলাদেশ দল

8

ভূপাতিত মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ প্রদর্শন করল ইরান

9

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মাঠে ফিরলেন মেসি, কলম্বাসের সঙ্গে ড্রয়ে পয়েন্ট হারাল মায়ামি

10

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের প্রথম একনেক সভা শুরু