একসময়ের চীনের অন্যতম শীর্ষ ধনী ব্যবসায়ী ও রিয়েল এস্টেট মোগল গুও ওয়েনগুইকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত। ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বিশাল অংকের প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগে তাকে এই কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্কের জেলা আদালতের বিচারক আনালিসা তোরেস রায় ঘোষণার সময় মন্তব্য করেন যে, গুও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে নিজের বিলাসবহুল জীবনযাপন নিশ্চিত করেছিলেন।
২০১৭ সালে চীন থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়ার পর গুও নিজেকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কট্টর সমালোচক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার এই পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি অনলাইন অনুসারীদের কাছ থেকে বিনিয়োগ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রকল্পের নামে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতে শুরু করেন। প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে তিনি হাজার হাজার মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
প্রসিকিউটরদের দাবির প্রেক্ষিতে আদালত জানিয়েছে, সংগৃহীত এই অর্থ তিনি ব্যয় করেছিলেন প্রায় ৫০ হাজার বর্গফুটের বিশাল প্রাসাদ, ১০ লাখ ডলারের দামি ল্যাম্বরগিনি এবং ৩ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বিলাসবহুল ইয়ট কেনার পেছনে। সরকারি কৌঁসুলী শন এস. বাকলি রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আজকের এই রায় এটিই প্রমাণ করে যে, সম্পদ কিংবা খ্যাতি কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে নিয়ে যায় না।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার পর গুও চীনের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে ‘নিউ ফেডারেল স্টেট অব চায়না’ নামে একটি প্রচারণা শুরু করেছিলেন, যেখানে তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন। যদিও গুও বরাবরই দাবি করে এসেছেন যে, সংগৃহীত অর্থ তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যয় হয়েছে, কিন্তু আদালতের রায়ে তার বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে।
এই রায়ের মাধ্যমে মার্কিন বিচার ব্যবস্থা আবারও এটি নিশ্চিত করল যে, যারা প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও জমানো সম্পদ হাতিয়ে নেয়, তাদের জন্য আই
মন্তব্য করুন