ওসাসুনায় এক প্রভাবশালী ও সফল মৌসুম কাটানোর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট ক্লাব লিভারপুলে যোগ দিতে যাচ্ছেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ভিক্টর মুনিয়োজ। ওসাসুনা মাত্র ৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে এই তারকা খেলোয়াড়ের ৫০% স্বত্ব কিনেছিল। তবে এক বছর পার হওয়ার আগেই তাঁর ৪০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজ পরিশোধ করে লিভারপুল তাঁকে দলে ভেড়াচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, এই ট্রান্সফার ফির ২০ মিলিয়ন ইউরো ওসাসুনা এবং বাকি ২০ মিলিয়ন ইউরো রিয়াল মাদ্রিদ লাভ করবে। ওসাসুনার জন্য এটি আর্থিকভাবে একটি দারুণ লাভজনক চুক্তি হলেও, মাঠের পারফরম্যান্সের দিক থেকে দলটি তাদের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কে হারিয়ে বেশ কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়বে। প্রথম থেকেই ওসাসুনার মূল একাদশে নিজের জায়গা পাকা করে নেওয়া মুনিয়োজ গোল এবং অ্যাসিস্টের মাধ্যমে দলের আক্রমণে অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছিলেন। তবে এস্পানিওলের বিপক্ষে ম্যাচে গোল করার পর তিনি ইনজুরিতে পড়েন, যার ফলে গেতাফের বিপক্ষে ম্যাচসহ স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপে নিজের অভিষেক ম্যাচটিতেও তিনি অংশ নিতে পারেননি।
অভিযোজন ও অনবদ্য পারফরম্যান্স: ওসাসুনায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই মাঠ এবং মাঠের বাইরে দলের পরিবেশের সাথে খুব দ্রুত মানিয়ে নেন ভিক্টর মুনিয়োজ। চমৎকার ট্যাকটিক্যাল বুদ্ধিমত্তা, গভীর থেকে দৌড়ে আক্রমণ করার গতি এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে ফেলার দক্ষতার কারণে তিনি কোচের পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হন।
ইনজুরি ও বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা: এস্পানিওলের বিপক্ষে ম্যাচে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল করার পরই মূলত ইনজুরির কবলে পড়েন মুনিয়োজ। মাঠের ভেতর তাঁর বসে থাকার দৃশ্যটি ওসাসুনা শিবিরে তাৎক্ষণিক উদ্বেগের সৃষ্টি করে। এই শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা নিয়েও এক সময় বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল。
প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে লিভারপুলের বাজিমাত: ইউরোপের ট্রান্সফার মার্কেটে মুনিয়োজের ওপর বেশ কয়েকটি ক্লাবের নজর ছিল, যার মধ্যে নিউক্যাসল ইউনাইটেড অন্যতম। তবে নিউক্যাসল লিভারপুলের আর্থিক শর্তের সমপরিমাণ প্রস্তাব করতে রাজি না হওয়ায় তারা এই দৌড় থেকে ছিটকে যায়। ফলে কৌশলগত সুযোগ লুফে নিয়ে লিভারপুল দ্রুত আলোচনা শেষ করে তাঁকে দলে নিশ্চিত করে।
আর্থিক ও ক্যারিয়ারের সাফল্য: ওসাসুনার হয়ে মুনিয়োজের এই সংক্ষিপ্ত সময়টি ফুটবলীয় পরিভাষায় একটি সফল রূপকথা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। মাত্র ৫ মিলিয়ন ইউরোর সাইনিং থেকে এক বছরের ব্যবধানে ইউরোপের এলিট ক্লাব লিভারপুলে বড় অঙ্কের ট্রান্সফারের মাধ্যমে তিনি নিজের
মন্তব্য করুন