দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে ইসরাইলি সেটেলারদের হানা

০ শেয়ার
ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে ইসরাইলি সেটেলারদের হানা
ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ ফিলিস্তিনিদের জন্য বন্ধ। সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের হেবরনে ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে ঢুকে পড়েছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা। এ সময় ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে জোরপূর্বক ঢুকে পড়েছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা।
  • স্থানীয় সূত্র ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
  • ঘটনার সময় কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মসজিদটি ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ রেখেছিল ইসরাইলি বাহিনী।

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে জোরপূর্বক ঢুকে পড়েছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা। স্থানীয় সূত্র ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার সময় কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মসজিদটি ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ রেখেছিল ইসরাইলি বাহিনী। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সাধারণ ফিলিস্তিনিদের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পাশাপাশি পুরো এলাকার চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে সেনারা। হেবরনের পুরোনো শহরে অবস্থিত ইব্রাহিমি মসজিদটি মুসলিম ও ইহুদি,উভয় ধর্মের মানুষের কাছেই একটি অত্যন্ত পবিত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৭ সালের হেবরন চুক্তির মাধ্যমে শহরটি দুটি ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর মসজিদটি ইসরায়েলি নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রিত এইচ-টু (H2) এলাকার অন্তর্ভুক্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই মসজিদটি ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলিদের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অন্যতম প্রধান স্পর্শকাতর কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে বারিচ গোল্ডস্টেইন নামের এক ইসরায়েলি-আমেরিকান বসতিস্থাপনকারী মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়ে ২৯ জনকে হত্যা করেছিলেন, যার পর থেকে মসজিদের ভেতর উপাসনার স্থানটি দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়।

এদিকে চলতি বছর ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে বিভিন্ন মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনার ওপর নিপীড়ন ও উত্তেজনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিলিস্তিনি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরেই ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারী ও বাহিনীর হাতে অন্তত ১৩টি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত বা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে গেছে। একইসঙ্গে ইব্রাহিমি মসজিদে নিয়মিত আজান বন্ধে বাধ্য করার ১৫৫টি নজিরও উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বশেষ এই ঘটনা হেবরনের এই পবিত্র স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ এবং ফিলিস্তিনিদের প্রবেশাধিকার নিয়ে নতুন করে গভীর উত্তেজনা ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

মেক্সিকোর উপকূলে শক্তিশালী ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, জারি ছিল সুনামি সতর্কতা

2

কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

3

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও ৩ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আলটিমেটাম

4

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে একে অপরকে স্যালুট দিয়ে তোপের মুখে বিজয়-তৃষা

5

৩১ অক্টোবর প্রকাশিত হচ্ছে এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬: যেভাবে জানবেন ফলাফল

6

রুশ হুমকি উপেক্ষা করে ইউক্রেনের পাশে থাকার জোরালো অঙ্গীকার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

7

ইউক্রেন বনাম উত্তর আয়ারল্যান্ড নেশনস লিগ: আজ রাতে কে জিতবে?

8

ইন্দিরা গান্ধীর মতো কি আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

9

ভারতে ভোটার তালিকায় নাম! খুলনার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

10

শ্যালিকাকে বিয়ে করে তোপের মুখে টিকটকার মাসুদের তালাকের ঘোষণা