|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার দৌড়ে ইতিহাস গড়ছেন আব্দুল এল সাইদ

আবদুল এল সাইদ। ফাইল ছবি

মিশরীয় অভিবাসী এক ট্যাক্সিচালকের পরিবার থেকে উঠে আসা তরুণ রাজনীতিক আবদুল এল সাইদ যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাট দলের সেনেটর পদের মনোনয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি এখন দেশটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর হওয়ার ঐতিহাসিক দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। আগস্টের শুরুতে নিজ সমর্থকদের সামনে বিজয় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি নিজের পারিবারিক শিকড় ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরে জানান যে, ইতিহাসের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আজ একজন গর্বিত আমেরিকান হিসেবে এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। কেবল মুসলিম বা অভিবাসী ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে নয়, বরং তার দৃঢ় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি, ইসরায়েলবিরোধী স্পষ্ট অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন এজেন্ডা তাকে খুব কম সময়েই ভোটারদের মাঝে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

তার নির্বাচনী প্রচারণার মূল ভিত্তি ছিল কর্পোরেট প্রভাবমুক্ত রাজনীতি, স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বজনীন করা এবং সাধারণ মানুষের পকেটে অর্থনৈতিক স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির তীব্র সমালোচনা করে তিনি এমন সব ভোটারদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছেন যারা বর্তমান প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট। বিশেষ করে, ইসরায়েলসহ বিভিন্ন দেশের সামরিক খাতে মার্কিন অর্থায়নের চরম বিরোধিতা করে তিনি তরুণ ও বামপন্থী ভোটারদের দৃষ্টি কেড়েছেন। ডেমোক্র্যাট দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সরাসরি সমর্থন না পেয়েও বার্নি স্যান্ডার্সের মতো প্রথিতযশা বামপন্থী নেতাদের সমর্থন নিয়ে তিনি নিজের রাজনৈতিক ভিত্তি শক্ত করেছেন। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন তিনি, যেখানে জয়ী হলেই রচিত হবে নতুন এক ইতিহাস।

একচল্লিশ বছর বয়সি এল সাইদ এর আগেও ২০১৮ সালে মিশিগানের গভর্নর নির্বাচনে অংশ নিয়ে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। এছাড়া ডেট্রয়েট শহরের পাবলিক হেলথ বিভাগের সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শিশু মৃত্যুহার কমানোসহ নানা জনকল্যাণমূলক কাজ করে তিনি বেশ প্রশংসিত হন। তবে তার এই রাজনৈতিক যাত্রাপথ এতটা সহজ ছিল না। মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও ইসরায়েলকে দেওয়া আর্থিক সহায়তার বিষয়ে তার কঠোর অবস্থানের কারণে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম হয়েছে। এমনকি ট্রাম্পের পক্ষ থেকেও তাকে নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করা হয়েছে, যার উপযুক্ত জবাবও তিনি দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, মিশিগানে তার এই জয় কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি মার্কিন ডেমোক্র্যাট দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর

1

ম্যাচ কিংবা সিরিজ জয়ের পর বিসিবির বোনাসের রেওয়াজ আর থাকছে

2

বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের উৎপাদন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তদন

3

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না ইরা

4

৩০ বছর পর ধামরাইয়ের বেদে পল্লীতে ডিসি ফরিদা খানম

5

সার সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকটে বিপর্যস্ত কৃষক: খাদ্যনিরাপত্তা

6

ব্রাজিল বনাম মরক্কো ম্যাচের প্রিভিউ ও একাদশ

7

ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন অস্ত্র চুক্তির পথে যুক্

8

অস্ত্রের মজুত নিয়ে তথ্য ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার

9

সতীর্থদের সমালোচনায় র‌্যাবিও, ‘প্রথমার্ধের পারফরম্যান্স ছিল

10

কয়লা আমদানির নামে ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: যশোরের নারী প্রতারক

11

জাতীয় ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

12

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: ১০৪ ম্যাচে ৩০৮ গোলের রোমাঞ্চকর পরিসংখ্যা

13

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর সফল, তিস্তা প্রকল্পে সহয

14

গোপালগঞ্জে আজ চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

15

দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডি

16

মেসিকে সেরা বললেন ইয়ামাল

17

ইরানে জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৬

18

চট্টগ্রাম বিমানবন্দর: স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ রুট ও সিন্ডি

19

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুনের সঙ্গ

20