দেশের প্রাথমিক শিক্ষার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)’-এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের এই ফাইনাল ম্যাচ এবং তাদের মাঠের নৈপুণ্য গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করতে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২০ জুন) বিকাল চারটার দিকে প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে পৌঁছান এবং পরে তিনি ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সারা দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে মোট চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করেছে।
টুর্নামেন্টের বালক ও বালিকা দুই বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের বিবরণ ও ফলাফল নিচে দেওয়া হলো:
বালিকা বিভাগের ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই বালক বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি সম্পন্ন হয়েছে। এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই খেলায় দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিমধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই টুর্নামেন্টের বিশাল কর্মযজ্ঞের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, গত ৬ এপ্রিল শুরু হওয়া এই বিশাল প্রতিযোগিতায় দেশের ৬৫ হাজার ৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১১ লাখের বেশি ছাত্র এবং ১১ লাখের বেশি ছাত্রী অংশ নিয়েছে।
একেবারে গ্রাম পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় ধাপ পেরিয়ে দীর্ঘ লড়াই শেষে সেরা দলগুলো ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। উপদেষ্টা আরও জানান, তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবল প্রতিভা খুঁজে বের করার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে এবং আগামী আসরে অন্তত ৫০ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
মন্তব্য করুন