২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিশরের ৩-২ ব্যবধানের হারের পর মাঠের রেফারিং নিয়ে বিতর্কের ঝড় এখনও থামছে না। ম্যাচজুড়ে বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের শিকার হতে হয়েছে মিশরকে, যার মধ্যে অন্যতম হলো ম্যাচের শেষ দিকে সালাহর পেনাল্টির আবেদন নাকচ করা এবং মিশরের একটি গোল ভিএআর-এর মাধ্যমে বাতিল করা। এই চরম হতাশাজনক পরিস্থিতির পর মিশরীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ রেফারিং নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও তার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় সালাহ বেশ সংযত থেকে বলেন যে, মাঠে কী ঘটেছে তা পুরো বিশ্ব দেখেছে এবং এই মুহূর্তে রেফারিং নিয়ে বেশি কথা বলে তিনি বড় কোনো জরিমানার মুখে পড়তে চান না। তার এই মন্তব্য ফুটবল মহলে ভিন্ন অর্থ বহন করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সালাহ পরোক্ষভাবে রেফারিংয়ের সীমাবদ্ধতা ও ফিফার নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। ভিএআর প্রযুক্তি থাকার পরেও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে কেন সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
সালাহ পরাজয়ের পর নিজের হতাশা গোপন না করলেও দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান যে, দলের ফুটবলাররা মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং এই কঠিন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে মিশর ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে চায়। যদিও হারের যন্ত্রণা ও মাঠের অবিচারের রেশ কাটিয়ে উঠতে তাদের অনেকটা সময় লাগবে, তবুও সালাহর এমন পরিপক্ক ও শান্ত আচরণ মাঠের বাইরের উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে সামাল দিতে ভূমিকা রাখছে। তার এই নীরবতাই যেন ফিফার রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তোলার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করছেন অনেকে।
মন্তব্য করুন