ফুটবল পাড়ায় এখন একটাই আলোচনা, এসি মিলানের তারকা ফুটবলার রাফায়েল লিয়াওয়ের ভবিষ্যৎ আসলে কোন দিকে যাচ্ছে? ক্লাব কর্তারা তাকে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত রাখলেও, তিনি যে নিশ্চিতভাবেই দল ছাড়ছেন এমনটাও বলা যাচ্ছে না। বিশেষ করে ফেনারবাচে এবং গ্যালাতাসারাইয়ের মতো বড় ক্লাবগুলো এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডকে দলে টানতে বেশ জোরেশোরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মিলান শুরুতেই তাদের প্রস্তাবিত ফি পছন্দ না করায় সেই অফারগুলো ফিরিয়ে দিয়েছে। ফলে লিয়াওয়ের সানসিরোতেই থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনো পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। তাই লিয়াও শেষ পর্যন্ত দল ছেড়ে চলে গেলে তার বিকল্প কে হতে পারেন, সেই নিয়ে এখন থেকেই ছক কষা শুরু হয়ে গেছে। আর এই তালিকায় নতুন করে জোড়ালোভাবে যে নামটি উঠে এসেছে, তিনি হলেন রুনি বার্দঘ্জি।
বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, এই সুইডিশ তরুণ ফরোয়ার্ড এই মুহূর্তে বার্সেলোনার স্কোয়াডে থাকলেও কোচ হান্সি ফ্লিকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তিনি আর সেভাবে নেই। খ্যাতনামা সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি দলবদলের বাজারেই তাকে ছেড়ে দিতে রাজি রয়েছে বার্সা। কাতালান ক্লাবটির এই সিদ্ধান্ত বেশ চূড়ান্ত বলেই মনে হচ্ছে, তবে কোন চুক্তির মাধ্যমে তাকে ছাড়া হবে লোন নাকি বাইব্যাক ক্লজসহ স্থায়ী বিক্রি এখন সেটাই দেখার বিষয়। বার্সেলোনা হয়তো ক্লজ রেখে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা ধরে রাখতে চাইতে পারে। আর এই সুযোগটার দিকেই তীক্ষ্ণ নজর রেখে বসে আছে এসি মিলান। এর আগেও গত বছর এই তরুণ তুর্কিকে দলে টানার চেষ্টা করেছিল মিলান ম্যানেজমেন্ট, যদিও শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনার কাছে রেসে হেরে যায় তারা।
তবে সত্যি বলতে, বার্সেলোনা বা খোদ খেলোয়াড়ের এজেন্টের সাথে মিলানের পক্ষ থেকে এখনো সরাসরি কোনো কথাবার্তা শুরু হয়নি। ক্লাবটি আপাতত পুরো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। একটা বিষয় একদম পরিষ্কার, বার্দঘ্জির সানসিরোয় আসা বা না আসা পুরোটাই নির্ভর করছে রাফায়েল লিয়াওয়ের ভাগ্য কী হয় তার ওপর। লিয়াও যদি শেষ পর্যন্ত ক্লাব ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি জমান, তবেই এই সুইডিশ সেনসেশনকে তার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে দলে টানার চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে পারে এসি মিলান।
মন্তব্য করুন