বাংলাদেশ জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্যাম্পের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে চলমান জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) সিলেট বিভাগের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হলো তরুণ পেসার অনিক দেব বর্মণের। ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার এই দীর্ঘকায় পেসার দীর্ঘদিন ধরেই বিসিবির নির্বাচকদের নজরে ছিলেন। এবার ঘরোয়া ক্রিকেটের বড় মঞ্চে তার পারফরম্যান্স সরাসরি মাঠে বসে পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তরুণ এই ক্রিকেটারের মাঝে দারুণ এক ভবিষ্যৎ ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার আলো দেখতে পাচ্ছেন তিনি।
অনিককে নিয়ে মূল্যায়ন করতে গিয়ে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানান, তার বিশ্বাস অনিকের অনেক দূর যাওয়ার মতো শারীরিক ও টেকনিক্যাল সক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ করে তার উচ্চতা আধুনিক পেস বোলিংয়ের জন্য একটি বড় প্লাস পয়েন্ট। তবে সিলেট দলের পেস বোলিং আক্রমণ বেশ শক্তিশালী হওয়ায় একাদশে নিয়মিত সুযোগ পাওয়াটা অনিকের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এই বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে বাশার মনে করেন, ম্যাচ খেলার নিয়মিত সুযোগ পাওয়ার জন্য সিলেটের দ্বিতীয় দল বা সমান্তরাল লিগ চালু করা উচিত, যাতে মূল দলে সুযোগ না পেলেও অনিক সেখানে নিয়মিত ম্যাচ খেলে নিজের দক্ষতা শাণিত করার সুযোগ পায়।
হাবিবুল বাশারের মতে, উদীয়মান পেসারদের এই ডেভেলপমেন্টের সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বেশি বেশি ম্যাচ খেলা এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ রাখা। ঘরোয়া আসরে নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে এই তরুণ পেসার ভবিষ্যতে জাতীয় দলের পেস বোলিং আক্রমণকে আরও সমৃদ্ধ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন বলে জোরালো আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন