ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই বছর পর ৫ আগস্ট দিল্লিতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী তার 'বিদ্বেষমূলক' বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়াকে কঠোর সতর্কবার্তা দিলেও, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই বক্তব্য প্রচারের ঘোষণা দিয়েছে তার দল আওয়ামী লীগ।
ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজনে এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং দলের অন্য নেতাদেরও যুক্ত থাকার কথা রয়েছে। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জাপানি একটি সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার দাবি করেছিলেন তিনি। তবে এই আয়োজন বা বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পলাতক শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে ভারতের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বক্তব্য প্রচার করা হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।
মন্তব্য করুন