|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Sep 25, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক রূপান্তরে থ্রি-আর কৌশল ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত দেড় দশকের শাসন ও শোষণ কাটিয়ে দেশকে পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রিস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন’ এই তিন মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে একটি কার্যকর ‘থ্রি-আর’ (3-R) কৌশল বাস্তবায়নের কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন তিনি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক রূপান্তরের মাধ্যমে একটি কল্যাণমুখী ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষণের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন বিগত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস। তিনি জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুবসমাজ ও নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পরিবার কার্ড, প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ ও মানবসৃষ্ট সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে, যা সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। দীর্ঘ প্রায় নয় বছর ধরে ১২ লাখের বেশি বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসা বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় চাপ উল্লেখ করে তিনি জানান, সংকটটির একমাত্র স্থায়ী সমাধান হলো মিয়ানমানে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য বৈশ্বিক জলবায়ু বিচার এবং তহবিল সহায়তার জোর দাবি জানান তিনি।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ একটি আত্মনির্ভরশীল, গণতান্ত্রিক ও বিনিয়োগবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠার পথে রয়েছে। ধর্ম, বর্ণ কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট: বাংলাদেশ ফর অল’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আলাস্কায় প্রায় ১৪০ বছরের জেসুইট মিশনারি কার্যক্রমের সমাপ্ত

1

সরকারের আশ্বাসে শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার প্রাথমি

2

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে লিথুয়ানিয়ার

3

মালদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত: প্রবাসীদের

4

নোয়াখালীর চাটখিলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যায় একমাত্র আসামির মৃত্যুদ

5

বগুড়ায় যাত্রা শুরু করল নারীদের জন্য বিশেষ গোলাপি বাস সার্ভিস

6

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: কে কত ভোট পেয়েছিলেন এবং নেপথ

7

করাচির ভ্যালিকা হাসপাতালে এইডস আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৮০

8

বগুড়ায় বিকল ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, হেলপারসহ নিহত ২

9

ইংল্যান্ডের ১২ পয়েন্ট কাটা

10

Portugal vs Uzbekistan Prediction: ২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগাল ও

11

সৌদি আরবে গৃহকর্মীদের আকামা বা রেসিডেন্সি পারমিট নিয়ে নতুন ও

12

সাংবাদিকতাই কি অপরাধ? জেসন আরডে কেলেঙ্কারি ও স্কটল্যান্ড ইয়া

13

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে চায় ফ্রা

14

অখিলেশ নয়, এবার মায়াবতীর সঙ্গে কি জোট করছেন আসাদউদ্দিন ওয়

15

জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ: গণতান্ত্রিক ও টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকার

16

কাতার বনাম সুইজারল্যান্ড ম্যাচ প্রেডিকশন ও বিশ্লেষণ ২০২৬

17

সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে

18

ফিক্সিং কাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

19

অবিশ্বাস্য গতিতে রেল যোগাযোগ সচল করল ইরান: বিশ্বজুড়ে দারিদ্র

20