দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 13, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

টানা বর্ষণে স্বস্তি: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বাড়ল ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে

০ শেয়ার
টানা বর্ষণে স্বস্তি: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বাড়ল ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে
ছবি: সংগৃহীত।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই লেকের পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন প্রতিবেদনে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • টানা কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই লেকের পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের গতি ফিরেছে।
  • সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল পর্যন্ত লেকের পানির উচ্চতা ১০০ দশমিক ৬০ ফুট মিন সি লেভেলে (এমএসএল) পৌঁছালে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে মোট ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে, যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
  • দীর্ঘ তিন মাস পানি সংকটের কারণে কেন্দ্রটির সবকটি ইউনিট একসাথে সচল রাখা সম্ভব হচ্ছিল না, তবে বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকলে উৎপাদনের পরিমাণ আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

টানা কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই লেকের পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের গতি ফিরেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল পর্যন্ত লেকের পানির উচ্চতা ১০০ দশমিক ৬০ ফুট মিন সি লেভেলে (এমএসএল) পৌঁছালে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে মোট ২০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে, যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। দীর্ঘ তিন মাস পানি সংকটের কারণে কেন্দ্রটির সবকটি ইউনিট একসাথে সচল রাখা সম্ভব হচ্ছিল না, তবে বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকলে উৎপাদনের পরিমাণ আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, রোববার রাত পর্যন্ত পানির স্তর ৯৯ দশমিক ১৫ ফুট থাকলেও সোমবার সকালে তা ১০০ ফুট অতিক্রম করে। কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমের তথ্যমতে, বর্তমানে ১, ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট থেকে ৪০ মেগাওয়াট করে মোট ১৬০ মেগাওয়াট এবং ২ নম্বর ইউনিট থেকে ৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মোট সক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট হলেও পানির প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করেই সাধারণত উৎপাদন নির্ধারিত হয়।

১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুরোপুরি প্রকৃতি ও কাপ্তাই লেকের পানি প্রবাহের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে লেকে পানির পরিমাণ রুলকার্ভ অনুযায়ী থাকা পানির চেয়ে কিছুটা কম হলেও টানা বৃষ্টিতে পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতির দিকে যাচ্ছে। লেকের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলীরা আশা করছেন, বৃষ্টিপাত চলমান থাকলে পানির স্তর আরও বাড়বে, ফলে কেন্দ্রটি তার পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে, যা দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬: শেষ ষোলোর পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও লড়াই

2

টেকনো বাংলাদেশের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন হামজা চৌধুরী

3

গাঁজা খেয়ে বিমান চালনা: এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ভয়াবহ ঝাঁকুনি ও ৩০০ ফুট পতন

4

হ্যারি কেনের প্রেমকাহিনি হার মানাবে সিনেমাকেও: স্কুলের বন্ধুত্ব থেকে বিশ্বমঞ্চের সঙ্গী

5

বিশ্বমঞ্চে জনস্বার্থ ও দেশের মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

6

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিষিদ্ধ দলের প্রার্থীদের অযোগ্য করার দাবি জামায়াতের

7

রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে আবারও উৎপাদনে ফিরল সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি

8

হরমুজ প্রণালি বন্ধ: ১৯৭০-এর দশকের চেয়েও বড় বৈশ্বিক তেল সংকটের পদধ্বনি

9

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের রেকর্ডের ছড়াছড়ি: ট্রফির সাথে ঘরে তুলছে ৩৬ কোটি টাকার বিশাল প্রাইজমানি

10

গাজীপুরে বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটরের প্রায় ৩ কোটি টাকা লুট, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩