দুবাই থেকে দখলদার ইসরায়েলের তেলআবিবগামী ‘ফ্লাই দুবাই’ এর একটি ফ্লাইটে দুই পাইলটের মধ্যকার সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় নতুন ও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঘটনার পরপরই দাবি করা হয়েছিল যে, বিমানের কো-পাইলট তার সহকর্মী ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছাড়কে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছেন। তবে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস-এর সাম্প্রতিক এক তদন্ত প্রতিবেদনে জানা গেছে, হামলাকারী কো-পাইলট বিমানে কোনো ছুরি বা ধারালো অস্ত্র লুকিয়ে নেননি; বরং তিনি ককপিটে আগে থেকেই থাকা জরুরি উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত হাতুড়ি দিয়ে ওই হামলা চালিয়েছেন।
এতদিন প্রশ্ন উঠেছিল যে, কঠোর নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে কো-পাইলট কীভাবে বিমানে ছুরি নিয়ে প্রবেশ করলেন। তবে তদন্তে পরিষ্কার হয়েছে যে, বিমান চলাকালীন সময়ে ব্যবহৃত ওই হাতুড়িটি কোনো লুকানো অস্ত্র ছিল না। আন্তর্জাতিক অ্যাভিয়েশনের কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে ক্রু ও যাত্রীদের উদ্ধারের জন্য ককপিটের ভেতরে বাধ্যতামূলকভাবে এই হাতুড়ি (ফায়ার এক্স বা ক্র্যাশ এক্স নামেও পরিচিত) রাখা হয়। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার পর নিরাপত্তার স্বার্থে এই হাতুড়িগুলো কেবিন থেকে সরিয়ে কেবল ককপিটেই স্থায়ীভাবে সংযোজন করা হয়, যা পাইলটদের সহজে নাগালের মধ্যে থাকে। এই ঘটনার শিকার ক্যাপ্টেন ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেলেও ওমানি বংশোদ্ভূত অভিযুক্ত কো-পাইলটের বিস্তারিত পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
মন্তব্য করুন