দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Nov 4, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

০ শেয়ার
কক্সবাজারে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে এসআরবি-১৫। অভিযানে ইয়াবার পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ৫টি দেশীয় তৈরি বড় রামদা জব্দ করা হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা টেকনাফে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান জব্দ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫)।
  • মঙ্গলবার রাতে পরিচালিত এই অভিযানে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
  • বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এসআরবি-১৫ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার ও পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক।


কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা টেকনাফে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান জব্দ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫)। মঙ্গলবার রাতে পরিচালিত এই অভিযানে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয় ৫টি দেশীয় তৈরি বড় রামদা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এসআরবি-১৫ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার ও পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক।

অভিযানের বিবরণ ও উদ্ধারকৃত আলামত: এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে টেকনাফ সিপিসি-১ ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার সোহেল রানার নেতৃত্বে হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার আঠারো ঘরপাড়া এলাকায় সীমান্তসংলগ্ন ধানক্ষেতে অবস্থান নেয় একটি চৌকস দল। পরে সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ৯ থেকে ১০ জনের একটি সন্দেহভাজন চক্রকে প্রবেশ করতে দেখে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে দুজনকে হাতেনাতে আটক করে এসআরবি। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় মোট ১১ লাখ পিস ইয়াবা ও ৫টি রামদা জব্দ করা হয়।

আটককৃতদের পরিচয়: আটক দুজন হলেন—হ্নীলা ইউনিয়নের নাইখংখালী এলাকার সলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আবছার উদ্দীন (১৯) এবং মৌলভীবাজার এলাকার ছলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আদিল (২৬)।

এসআরবির বক্তব্য: প্রেস ব্রিফিংয়ে এসআরবি কর্মকর্তা আ. ম. ফারুক জানান, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে টেকনাফ দীর্ঘ দিন ধরে মাদক চোরাচালানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। মিয়ানমার সীমান্ত ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র দেশে মাদকের চালান সরবরাহের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন জিরো টলারেন্স অভিযান ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের পূর্বক টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

স্পেন বনাম কেপ ভার্দে লাইভ ম্যাচ প্রেডিকশন ও একাদশ ২০২৬

2

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা ও উদ্ধার অভিযান

3

খুবিতে ইয়ুথ এন্টারপ্রিনিউরশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপ ২০২৬ | এসএমই ফাউন্ডেশন ও খুবি ক্যারিয়ার ক্লাব

4

‘সড়ক নিরাপত্তা’ বিষয়ে বনানী বিদ্যানিকেতনে বিআরটিএর কর্মশালা অনুষ্ঠিত

5

বিএনপি সরকারের বাজেটে জুলাই আন্দোলনের স্বীকৃতি

6

যেসব কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ভিসা

7

কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের সমালোচনায় মুহাম্মদ রাশেদ খান: বিরোধী জোটে ভাঙনের সুর

8

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

9

সচিব হলেন দুই কর্মকর্তা

10

নিষিদ্ধ দলের অস্থিতিশীলতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে ডিএমপি