চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হঠাৎ করেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। তবে রোগীদের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অত্যাবশ্যকীয় মশারি সরবরাহ না করার মতো চরম অবহেলার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের অধিকাংশ শয্যাতেই মশারি ঝুলতে দেখা যায়নি।
ভর্তি থাকা রোগীদের অভিযোগ, ডেঙ্গু রোগীর মাধ্যমে হাসপাতালে আসা অন্য রোগী বা স্বজনদের মধ্যে মশারি ছাড়া মশার কামড়ে নতুন করে ডেঙ্গু ছড়ানোর ঝুঁকি থাকলেও হাসপাতাল থেকে কোনো মশারি দেওয়া হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক রোগী নিজেদের বাসা থেকে মশারি এনে ব্যবহার করছেন, আবার অনেকে মশারি ছাড়াই উন্মুক্ত অবস্থায় চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে গত সেপ্টেম্বরে ৬৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হলেও অক্টোবরের প্রথম ১২ দিনেই সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ জনে।
ভুক্তভোগী রোগী নাফিজ আহমেদ ও আলিফ হোসেন জানান, কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তারা কোনো মশারি পাননি। চিকিৎসাসেবা ও ওষুধের পাশাপাশি রোগীদের সুরক্ষায় মশারি টাঙানোর ব্যবস্থা থাকা জরুরি হলেও তা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস জানান, ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়লেও হাসপাতালে পর্যাপ্ত মশারি রয়েছে। তবে বিতরণ করা মশারি বারবার চুরি হয়ে যাওয়ার কারণে কিছুটা কড়াকড়ি করা হচ্ছে, যদিও কোনো রোগী আলাদা করে মশারি চাইলে তা সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
মন্তব্য করুন