দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 5, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

তিন বছর পর গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার ও দাফন

০ শেয়ার
তিন বছর পর গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার ও দাফন
পরিবারের স্বজনরা ফিলিস্তিনি পতাকায় মোড়ানো লাশগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে শেষ বিদায় জানান। ছবি: সংগৃহীত

২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীসহ এক পরিবারের ১১২ সদস্যের মরদেহ প্রায় তিন বছর পর গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করে দাফন করা হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় এক মর্মান্তিক ও দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।
  • ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরাইলি বিমান হামলায় ধ্বংস হওয়া একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একই পরিবারের ১১২ জন সদস্যের মরদেহ প্রায় তিন বছর পর উদ্ধার করা হয়েছে।
  • গত জুলাই মাসে দীর্ঘ ১৭ দিনের উদ্ধার অভিযান চালিয়ে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ফিলিস্তিনি পতাকায় মোড়ানি দিয়ে অত্যন্ত শোকাবহ পরিবেশে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় এক মর্মান্তিক ও দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরাইলি বিমান হামলায় ধ্বংস হওয়া একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একই পরিবারের ১১২ জন সদস্যের মরদেহ প্রায় তিন বছর পর উদ্ধার করা হয়েছে। গত জুলাই মাসে দীর্ঘ ১৭ দিনের উদ্ধার অভিযান চালিয়ে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ফিলিস্তিনি পতাকায় মোড়ানি দিয়ে অত্যন্ত শোকাবহ পরিবেশে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়। গাজা সিটির আবু শারিয়া ও আল-হাসাইনা পরিবারের বেঁচে থাকা স্বজনরা শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে জানান, দীর্ঘ এক হাজার দিন পর প্রিয়জনদের দাফন করার সুযোগ পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও হত্যাকাণ্ডের ক্ষত যেন তাদের মনে আজও তাজা।

২০২৩ সালের নভেম্বরের ওই ভয়াবহ হামলায় গাজার সাবরা এলাকায় একটি আবাসিক ব্লক সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ইসরাইলি যুদ্ধবিমান। সেখানে আবু শারিয়া ও আল-হাসাইনা পরিবারের শত শত সদস্য এবং বাস্তুচ্যুত মানুষেরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই একটিমাত্র হামলায় তিন শতাধিক মানুষ নিহত হন, যাদের মধ্যে ৪৪ জন শিশু, ৩৭ জন নারী এবং ১০ জনের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ছিলেন। যুদ্ধের শুরুর দিকে ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র সংকট এবং ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে কোনো উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে গত ১৪ জুলাই ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে পুনরায় উদ্ধারকাজ শুরু করে এবং ১ আগস্ট পর্যন্ত ১৭ দিনের প্রচেষ্টায় ১১২ জনের মরদেহ বা দেহাংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

নিহতদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ফিলিস্তিনের সাবেক গণপূর্ত ও আবাসনমন্ত্রী এবং মার্কিন নাগরিক মুফিদ আল-হাসাইনা। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা এই ব্যক্তির বাড়িতে হামলার সময় প্রায় ২০০ জন আত্মীয় ও সাধারণ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। বেঁচে ফেরা স্বজনরা জানান, ওই বাড়িতে হামলার ফলে সাবেক মন্ত্রীসহ আশ্রয় নেওয়া প্রায় সবাই প্রাণ হারান। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধিত থাকলেও প্রকৃত সংখ্যা ১৫ হাজারের কাছাকাছি হতে পারে, যার একটি বড় অংশ এখনো বিভিন্ন ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

মার্কিন নৌবাহিনীর নতুন এআইএম-৪২৪ ম্যালিস মিসাইল: আকাশযুদ্ধে বড় বিপ্লব

2

নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা জাতির ব্যর্থতা: শেখ রবিউল আলম

3

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও বিনিয়োগে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

4

বাদশাহর খরচে ১০০০ জনের ওমরাহ

5

প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে চান নেতানিয়াহু,

6

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল: স্বস্তি ফিরল পর্যটকদের

7

ঋণখেলাপি সত্ত্বেও বেক্সিমকোর ৩ প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ ছাড়

8

আমি ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক, ছেলে আর্জেন্টিনা: অপু বিশ্বাস

9

স্থানীয় সরকার বিভাগে সব ধরনের দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিতের নির্দেশ

10

মাত্র ১১ ম্যাচেই রেকর্ডের পাতায় ভারতের নতুন পেস সেনসেশন গুরনুর ব্রার