দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 25, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াতেন চীন-রাশিয়া-তুরস্ক: ট্রাম্পের দাবি

০ শেয়ার
ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াতেন চীন-রাশিয়া-তুরস্ক: ট্রাম্পের দাবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইরানের পক্ষে যোগ দেওয়া থেকে চীন, রাশিয়া ও তুরস্ককে বিরত থাকার অনুরোধ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি অনুযায়ী, বিশ্বনেতারা সেই অনুরোধ রেখেছেন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তার কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে চীন, রাশিয়া ও তুরস্ক ইরানের পক্ষে সামরিক অভিযানে সরাসরি অংশ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছে।
  • গত বুধবার (২৪ জুন) এক বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের যুদ্ধের বাইরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
  • তার মতে, এরদোগান, শি জিনপিং এবং পুতিনের এই নিরপেক্ষ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ ও জটিল সংঘাত থেকে রক্ষা করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তার কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে চীন, রাশিয়া ও তুরস্ক ইরানের পক্ষে সামরিক অভিযানে সরাসরি অংশ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছে। গত বুধবার (২৪ জুন) এক বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের যুদ্ধের বাইরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তার মতে, এরদোগান, শি জিনপিং এবং পুতিনের এই নিরপেক্ষ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ ও জটিল সংঘাত থেকে রক্ষা করেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইসরাইলের বড় সমর্থক নন, তাই তার যুদ্ধের পক্ষে যোগ দেওয়ার একটি জোরালো সম্ভাবনা ছিল। তবে ট্রাম্পের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এরদোগান যুদ্ধের বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সম্পর্কে ট্রাম্পের ভাষ্য, বেইজিংয়ের বিপুল তেল আমদানির স্বার্থে তারা চাইলে এই সংঘাতে জড়াতে পারত, কিন্তু তিনিও ট্রাম্পের অনুরোধে সাড়া দিয়ে সংযম প্রদর্শন করেছেন। একইভাবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও সরাসরি যুদ্ধ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। জুন মাসে উভয়পক্ষের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা বা মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (MOU) স্বাক্ষরিত হওয়ার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির কিছুটা স্থিমিত ভাব দেখা দিয়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বড় শক্তিগুলোর সরাসরি অংশগ্রহণ এড়িয়ে চলাই ছিল বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় স্বস্তির কারণ।

ট্রাম্পের এই দাবি যদিও আন্তর্জাতিক মহলে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, তবে বিভিন্ন সূত্রমতে, এই দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ানোর পেছনে তাদের নিজস্ব কৌশলগত কারণ এবং আন্তর্জাতিক চাপের ভূমিকাও ছিল বড়। বৈশ্বিক এই সংকট এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণের দিকে থাকলেও, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে শক্তির ভারসাম্যের লড়াই এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বার্সেলোনা ছেড়ে লিভারপুলে পাড়ি জমাচ্ছেন রোনালদোর আরাউজো

2

জুলাই জাদুঘরের টিকিটের দাম কত, অনলাইনে কাটবেন যেভাবে

3

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও বাংলাদেশের অর্থনীতি: ৫টি বড় ঝুঁকির মুখে দেশ

4

দিল্লিতে মুক্তি পেলেন এআইএসএ নেত্রী নেহা বোরা

5

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত কমাতে ‘দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ পাকিস্তান

6

যুব অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল

7

পচা সিস্টেম পরিবর্তন হবেই, তবে পরিবর্তন শুরু করতে হবে ঘর থেকে: সারজিস আলম

8

বিপিএসসি সচিবালয়ে ৯০ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: আবেদন শুরু ২৭ এপ্রিল

9

নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক 'জেনারেল' হলেন ভারতের সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

10

ব্যবহারকারীর ডেটা ও গোপনীয়তা সুরক্ষায় নতুন কুকি পলিসি আনল এমএলএস