|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 29, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ডিএসই পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পরিবারের মানসিক চাপ ও উত্তরণের উপায়

ডিএসই (DSE) পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানসিক চাপ সহজে কাটে না। ফল প্রকাশের পর পরিবারের সদস্যরা প্রায়শই অত্যন্ত জটিল ও পরস্পরবিরোধী অনুভূতির মধ্য দিয়ে যান। একটি পরিবার এই সময়ে সাধারণত驚喜 (বিস্ময় ও স্বস্তি),失望 (হতাশা ও আত্মগ্লানি) এবং恐懼 (ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে ভয়) এই তিন ধরনের মানসিক অবস্থার মুখোমুখি হয়।

ফল আশানুরূপ হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি মিললেও অনেকেই বুঝতে পারেন না এই পরিস্থিতির মুখোমুখি কীভাবে হবেন। আবার ফলাফল খারাপ হলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ব্যর্থ ভেবে অপরাধবোধে ভোগেন, আর অভিভাবকরা ভাবতে শুরু করেন তাঁদের চেষ্টার কোনো কমতি ছিল কিনা। এছাড়া ফলাফলের পর সামনের পথ কীভাবে চলা উচিত, তা নিয়ে এক ধরনের অজানা ভয় কাজ করে। এই সময় মানসিক চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক এবং প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই এই চাপ পরীক্ষার চেয়েও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বেশি দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের মানসিক চাপকেও খাটো করে দেখা যায় না। অভিভাবকদের এই অস্থিরতা অনেক সময় অজান্তেই সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য অভিভাবকদের প্রথমে নিজের এবং সন্তানের আবেগ মেনে নিতে হবে, কোনো কিছু নিয়ে তাড়াহুড়ো করা যাবে না। খারাপ ফলাফল মানেই ভবিষ্যৎ শেষ এমন নেতিবাচক ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে বুঝতে হবে যে উচ্চশিক্ষার জন্য ডিপ্লোমা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ বা বিকল্প আরও অনেক পথ খোলা রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সন্তানের নিজের হাতেই ছেড়ে দেওয়া উচিত।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও JUPAS পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত বিষয়গুলো গুছিয়ে নেওয়ার সময় পুরো প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি হতে হবে স্বয়ং শিক্ষার্থী, আর অভিভাবকরা কেবল পাশে থেকে তথ্য ও মতামত দিয়ে সহযোগিতা করবেন। আশপাশের মানুষের সঙ্গে তুলনা করার প্রবণতা থেকে দূরে থাকা জরুরি, কারণ এতে শিক্ষার্থী নিজেকে কেবল একটি নম্বর হিসেবে ভাবতে শুরু করে। পাশাপাশি, পড়াশোনার আলোচনা থেকে দূরে থেকে পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে খাওয়া বা ছোট কোনো ভ্রমণের মতো হালকা আয়োজনের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ককে জোড়া লাগানো প্রয়োজন।

সন্তানের সামনে কড়া কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ফলাফলের কারণে তাদের পুরো অস্তিত্বকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যাবে না। এর পরিবর্তে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত সমর্থনের বার্তা দেওয়া দরকার, যেন সন্তান বুঝতে পারে পরিস্থিতি যেমনই হোক পরিবার সবসময় তাদের পাশে আছে। মনে রাখা উচিত, উচ্চশিক্ষাই একমাত্র পথ নয় এবং জীবনের পথচলার সময় সবার জন্য এক রকম হয় না। যদি এই উদ্বেগ ও মানসিক অস্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, তবে দেরি না করে পেশাদার চিকিৎসক বা মনোবিজ্ঞানীর সহায়তা নেওয়া উচিত।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বুরুন্ডিতে সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৫৭

1

দেশকে আরও সবুজ করতে শিশুদের গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী

2

হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ৬ বাংলাদেশি জাহাজ ছাড়ার অনুমতি দিল

3

Panama vs England: FIFA World Cup 2026 গ্রুপ পর্বের শেষ লড়াই

4

ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ বাজুসের, প্রতি ভরিতে কমলো ৯,

5

কাতারের উপহার দেওয়া বিমান উন্মোচন ট্রাম্পের

6

জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটূক্তি: অভিনেত্রী শাওন ও মাহিসহ তিনজনের

7

১২ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

8

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া

9

চুয়াডাঙ্গা জেলায় ডিসি ও চার উপজেলার ইউএনও পদেও দায়িত্ব পালন

10

আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরাইলি মন্ত্রীর প্রবেশ: জর্ডান ও হা

11

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

12

জ্বালানি মজুত বাড়াতে ৫ লাখ টন তেল কিনছে সরকার: বিপিসির উদ্যো

13

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের নতুন কৌশল ও পথনকশা

14

স্পেন যদি কবিতা হয়, তবে লামিন ইয়ামাল তার কিশোর কবি

15

ফিলিপাইনে শুরু ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) বৈঠক

16

সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব

17

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি২০ সিরিজ প্রিভিউ

18

শোকের ছায়ায় খামেনির শেষ বিদায়: জানাজায় ঠাঁই হলো ১৪ মাসের নাত

19

দেশে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবেন সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারে

20