শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পিকআপ ভর্তি ২৭৩ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদসহ তিনজনকে আটক করেছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই সফল অভিযানটি চালানো হয় [cite: সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি হলুদ রঙের পিকআপ থেকে এসব মদ উদ্ধার করা হয়।]। একটি হলুদ রঙের পিকআপ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ এই বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয় এবং একই সাথে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত পিকআপটি জব্দ করেছে পুলিশ [cite: সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি হলুদ রঙের পিকআপ থেকে এসব মদ উদ্ধার করা হয়।]।
নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নালিতাবাড়ী উপজেলা সীমান্তের নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে সব ধরনের যানবাহন তল্লাশি শুরু করা হয় [cite: পুলিশ জানায়, আজ সকালে গোপন সংবাদে নালিতাবাড়ী উপজেলা সীমান্তের নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।]। তল্লাশিকালীন একটি সন্দেহভাজন হলুদ রঙের পিকআপকে থামানোর সংকেত দেয় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা [cite: সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি হলুদ রঙের পিকআপ থেকে এসব মদ উদ্ধার করা হয়।, একপর্যায়ে সন্দেহভাজন একটি পিকআপকে থামানোর সংকেত দিলে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করে।]। ওই সময় গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা বেগতিক দেখে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে তাদের তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে [cite: একপর্যায়ে সন্দেহভাজন একটি পিকআপকে থামানোর সংকেত দিলে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ তাদের আটক করে...]। পরবর্তীতে পিকআপের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন:
রুবেল মিয়া (৪৫): ঝিনাইগাতী উপজেলার দিঘিরপাড় গ্রামের সোরহাব আলীর ছেলে।
লাল চান (২৩): ঝিনাইগাতী উপজেলার ঘোমরা গ্রামের সামসুল হকের ছেলে।
আলমগীর (২৩): ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান এই মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটককৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে এবং দুপুরের মধ্যেই তাদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে। এলাকার সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক প্রবেশ এবং চোরাচালান রোধে পুলিশের পক্ষ থেকে এই ধরনের বিশেষ ও ঝটিকা অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন