টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার উপাধ্যক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন গাজীপুরের আদালত। আলাদা ঘটনায় গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুটি ঘটনাই গাজীপুরের, তবে মামলা আলাদা।
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার উপাধ্যক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। রোববার, ২৫ অক্টোবর গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক ওমর হায়দার শিশুটির বক্তব্য পর্যালোচনা করে এই আদেশ দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, টঙ্গীর ওই মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেন। এই অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেছেন, এই মামলা এবং শিশুটির বাবার বিরুদ্ধে করা পাল্টা মামলা দুটিই সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
একটি বিষয় স্পষ্ট রাখা জরুরি। এই প্রতিবেদনে নির্যাতনের শিকার শিশুর নাম বা পরিচয় দেওয়া হয়নি। অভিযোগগুলো এখনো বিচারাধীন, তাই অভিযুক্তকে দোষী বলা হয়নি।
আলাদা ঘটনায় সোমবার, ২৬ অক্টোবর গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী মারকাজুল কুরআন আদর্শ মহিলা মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী, বয়স ১৫ বছর। তার বাবা ২৫ অক্টোবর মামলা করেন। মামলায় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও ১০ অক্টোবর অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচ অভিযুক্তই পলাতক।
টঙ্গীর ঘটনার পর মাদ্রাসায় শিশু নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা বেড়েছে। দুটি ঘটনাই গাজীপুরের হলেও মামলা, প্রতিষ্ঠান ও অভিযুক্ত আলাদা। দুটি ঘটনাকে এক করে দেখা ঠিক হবে না।
আরও পড়ুন: ট্রাইব্যুনালের ৭ রায়ে ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, সাজা পেলেন ৬৮ জন, মগবাজারে গায়ক আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি, তিনি অক্ষত