|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 9, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল বিমানবন্দরকে ঘিরে সক্রিয় ডাকাত চক্র

ফাইল ছবি

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং এর আশপাশের উত্তরা এলাকার সড়কগুলোকে ঘিরে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ ও দুর্ধর্ষ ডাকাত চক্র। প্রভাবশালী মাফিয়াচক্রের ইন্ধনে ও ভাড়ায় খাটা এসব অপরাধী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে প্রবাসফেরত যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। हाल हीতে (সম্প্রতি) একাধিক চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে এই চক্রের নানা ভয়ংকর তথ্য উদ্ঘাটন করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

সর্বশেষ গত ৬ জুলাই প্রবাসীর ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল লুটের ঘটনা এই চক্রের নিখুঁত ছকের একটি বড় উদাহরণ। চাঁদপুরের দক্ষিণ বালিয়ার খোরশেদ নামের এক ব্যক্তি দুবাই প্রবাসী ভাইয়ের পাঠানো মালামাল নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফেরার পথে শাহবাগ এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে একটি কালো মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার চোখ ও হাত-পা বেঁধে ৩৮ লাখ টাকার সমপরিমাণ মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে তাকে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে ফেলে দেওয়া হয়। শুধু খোরশেদ একা নন, বিমানবন্দরের বাইরে এভাবেই প্রতিনিয়ত সর্বস্ব হারাচ্ছেন বহু প্রবাসফেরত মানুষ।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রের মূল হোতা বা প্রভাবশালী মাফিয়ারা সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেলেও মাঠপর্যায়ে অপরাধ সংঘটনের জন্য ভাড়ায় আনা পেশাদার ডাকাতদের ব্যবহার করা হয়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল এমনকি বিদেশ থেকে এসেও অপরাধীরা নির্দিষ্ট চুক্তিতে ডাকাতিতে অংশ নেয় এবং অপারেশন শেষেই দ্রুত ঢাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ছিনতাই করা মালামাল নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিলেই তাদের হাতে নগদে চুক্তির টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব অপরাধী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের দ্রুত জামিনে মুক্ত করতে এক শ্রেণির আইনজীবীর সঙ্গে চক্রটির সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। অনেক সময় ওই আইনজীবীরা বাকিতেও আইনি সেবা দিয়ে থাকেন, যার ফলে জামিনে বেরিয়ে এসেই এই দুর্বৃত্তরা আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইলিয়াস কবির জানিয়েছেন, বিমানবন্দর ও উত্তরা এলাকায় অপরাধ সংঘটিত করার পরপরই অপরাধীরা দ্রুত ঢাকার বাইরে পালিয়ে যায়। তাদের আইনের আওতায় আনা কষ্টসাধ্য হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর তৎপরতার কারণে বর্তমানে এই ধরনের অপরাধ অনেকাংশেই কমে এসেছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চার বছর ধরে জনসমক্ষে নেই অং সান সু চি: বেঁচে আছেন কি তিনি?

1

হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থায় জ্বালানি ও অর্থনীতিতে বড় ঝুঁকি, ৫

2

এরদোয়ানকে অপমান করার অভিযোগে তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আ

3

শতকে গুনাতিকে ও সামারাবিক্রমায় পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা

4

রাহুলের ‘আউটসাইডার নীতি’ ও কংগ্রেসের অন্দরে বাড়ছে ক্ষোভের বা

5

জয়পুরহাটে বরেন্দ্র এক্সপ্রেস সচল, তিন ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স

6

উৎসবমুখর পরিবেশে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে

7

দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম অস্ট্রেলিয়া ওডিআই সিরিজ

8

ইয়েমেনের আল-জাওফে হুথিদের সামরিক ঘাঁটিতে সেনাবাহিনীর হামলা

9

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি উদ্যোগ: বান্দরবানে প

10

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা

11

পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলো কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ

12

বিশ্বকাপে ভারতের জয়, বাংলাদেশের শুভসূচনা

13

রাজশাহীতে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে জামায়াত নেতা ওমর ফারুক

14

আজকের মুদ্রার রেট: ১৪ জুলাই ২০২৬

15

সমালোচকদের ‘আবর্জনা’ বললেন হুগো ব্রুস

16

সেমিফাইনালের পথে দক্ষিণ আফ্রিকা: লর্ডসে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম

17

ব্রাজিলের বিদায়ে সতর্ক আর্জেন্টিনা, মিশরের বিপক্ষে লড়াইয়ের

18

এমএলএস: নিউ ইয়র্ক সিটি এফসির মুখোমুখি রেড বুল নিউ ইয়র্ক

19

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে বৈঠক করলেন অস্ট্রেলিয়ার হাই

20