দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

তিন মাসেও কমেনি পানি, রাস্তার ওপর টং ঘরেই কাটছে জীবন

০ শেয়ার
তিন মাসেও কমেনি পানি, রাস্তার ওপর টং ঘরেই কাটছে জীবন

যশোরের ভবদহ অঞ্চলে দীর্ঘ তিন মাস ধরে স্থায়ী জলাবদ্ধতায় জনজীবন বিপর্যস্ত। ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় রাস্তার ওপর পলিথিনের ঘরে গবাদিপশু নিয়ে বসবাস করছেন স্থানীয়রা।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার ভবদহ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন না হওয়ায় চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
  • গত তিন মাস ধরে ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে থাকায় বাধ্য হয়ে এলাকার অসহায় মানুষ রাস্তার ওপর পলিথিন দিয়ে ছোট টং ঘর বানিয়ে গবাদিপশুসহ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
  • আকস্মিক ও দীর্ঘমেয়াদি এই জলাবদ্ধতার কারণে তিন উপজেলার প্রায় ২ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার ভবদহ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন না হওয়ায় চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত তিন মাস ধরে ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে থাকায় বাধ্য হয়ে এলাকার অসহায় মানুষ রাস্তার ওপর পলিথিন দিয়ে ছোট টং ঘর বানিয়ে গবাদিপশুসহ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আকস্মিক ও দীর্ঘমেয়াদি এই জলাবদ্ধতার কারণে তিন উপজেলার প্রায় ২ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

সরেজমিনে জানা গেছে, বসতভিটা ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে নৌকা যোগাযোগ ও চলাচলের একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে। ডুমুরতলা গ্রামের শিব পদ বিশ্বাসের মতো দুর্গত মানুষেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বছরের পর বছর ধরে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করলেও এই সমস্যার স্থায়ী কোনো সমাধান মিলছে না। ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির অভিযোগ, পাকিস্তান আমলের ত্রুটিপূর্ণ স্লুইসগেট ব্যবস্থা এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভবদহের মানুষের এই দুর্গতি নিত্যদিনের সঙ্গীতে পরিণত হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে কৃষক-শ্রমিকদের নিয়ে পুনরায় কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগ্রাম কমিটির নেতারা।

এদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও জলাবদ্ধতা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি মিলছে না। যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানিয়েছেন, প্রকল্পের প্রায় ৭৩ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং নদী খনন পুরোপুরি সম্পন্ন হলে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে জলাবদ্ধতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে প্রায় ৪৯ কোটি টাকার আমডাঙ্গা খাল সংস্কার প্রকল্প জেলা প্রশাসন কর্তৃক জমি অধিগ্রহণ না করার কারণে দুই বছর ধরে আটকে থাকায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। ভুক্তভোগীদের একটাই প্রশ্ন,প্রকল্প ও অর্থ বরাদ্দ সত্ত্বেও ভবদহবাসীর এই দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি মিলবে কবে?

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

মহাসড়ক সচল করতে মাঠে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ

2

রোনালদো ইস্যুতে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি কোচ জেসুসের

3

France vs Iraq Prediction: ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও ইরাকের মহাদ্বৈরথ

4

লিসবন কেন্দ্রীয় মসজিদ: পর্তুগালের বুকে মানবিকতা ও সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতীক

5

গান্ধী জয়ন্তীতে শুরু হতে পারে আফ্রিকায় ওয়ানডে বিশ্বকাপ, জানাল আইসিসি

6

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও ৬ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ শুরু

7

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

8

পেট্রোল পাম্প মালিকদের নতুন প্রস্তাব ২০২৬ | রাতে তেল বিক্রি বন্ধ?

9

ত্রিনিদাদ টেস্টের প্রথম দিন শেষে ভালো অবস্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

10

সরকারি কার্যবণ্টন বিধিমালা সংশোধনে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ