দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 11, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আমদানিকৃত পাঙাশের ফিলের দাম বাড়ছে

০ শেয়ার
আমদানিকৃত পাঙাশের ফিলের দাম বাড়ছে
ফাইল ছবি

দেশীয় মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের সুরক্ষায় ২০编制-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি করা পাঙাশ মাছের ফিলের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • দেশের ক্রমবর্ধমান মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে বিদেশি প্রতিযোগিতার হাত থেকে সুরক্ষা দিতে এবং দেশীয় খামারিদের উৎসাহিত করতে আমদানি করা পাঙাশ মাছের ফিলের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে সরকার।
  • বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমদানি করা পাঙাশের ফিলের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের এই সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করেন।
  • বিকেল ৩টার দিকে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী তাঁর বাজেট বক্তৃতা শুরু করার পর পরই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়ে গেছে।

দেশের ক্রমবর্ধমান মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে বিদেশি প্রতিযোগিতার হাত থেকে সুরক্ষা দিতে এবং দেশীয় খামারিদের উৎসাহিত করতে আমদানি করা পাঙাশ মাছের ফিলের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমদানি করা পাঙাশের ফিলের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের এই সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করেন। বিকেল ৩টার দিকে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী তাঁর বাজেট বক্তৃতা শুরু করার পর পরই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়ে গেছে। এর ফলে বাজারে আমদানি করা প্রক্রিয়াজাত পাঙাশ মাছ এবং এর তৈরি ফিলের দাম অনেকটাই বেড়ে যাবে, যা পরোক্ষভাবে দেশীয় মৎস্য চাষ ও স্থানীয়ভাবে মাছ প্রক্রিয়াকরণ কারখানার বিকাশকে ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র থেকে আগেই আভাস পাওয়া গিয়েছিল যে, এবারের বাজেটে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার কথা বিবেচনা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, চিকিৎসাসামগ্রী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বড় ধরনের কর ও শুল্ক ছাড় দেওয়া হতে পারে। তবে বিলাসবহুল বা বিকল্প দেশীয় উৎস থাকা আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবেই পাঙাশের ফিলের ওপর এই নতুন করভার চাপানো হলো। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই প্রস্তাবিত বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বিশাল এই বাজেটে সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার ফলে সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও, দেশীয় শিল্পবান্ধব শুল্ক নীতি বজায় রাখাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে নতুন সরকার।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

টাকার মান বাড়ায় স্বস্তি ব্যবসা-বাণিজ্যে: বাজারে ইতিবাচক প্রভাব

2

আশুরা উপলক্ষে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

3

হাসিনাকে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অর্থহীন: নাহিদ ইসলাম

4

শেখ হাসিনার দিল্লি প্রেস কনফারেন্স:

5

দুপুরের মধ্যে দেশের ১১ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস

6

৭০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও ওয়াইড ডিসপ্লে নিয়ে হুয়াওয়ে পুরা এক্স ভিউ উন্মোচিত

7

দেশকে আরও সবুজ করতে শিশুদের গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

8

কাপ্তাই হ্রদের পানির চাপ কমাতে বাঁধের ১৬ জলকপাট উন্মুক্ত

9

ওয়ানপ্লাস এন৬ লঞ্চ: ৮,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও ডিমেনসিটি ৬৩৬০ ম্যাক্স চিপসেট

10

জুলাই অভ্যুত্থানে রামপুরায় ২৮ হত্যা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর