বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বহুমাত্রিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘৭ম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরাম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গত বুধবার (১০ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি উপস্থিত আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সফর দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, উন্নয়ন অংশীদারত্ব এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। চীনকে বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় কায়সার কামাল বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের ধারাবাহিক সহযোগিতা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ইউনান প্রদেশের গভর্নরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক ফোরামে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত জিয়াও ছিয়ান, নেপালের ডেপুটি স্পিকার ইন্দিরা রানা মাগার, মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরুথিশাম আদম, সার্কের মহাসচিব গোলাম সারওয়ারসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, বিএনপির সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহমুদ শ্যামল এবং সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য জেসমিন সুলতানা জুঁই।
মন্তব্য করুন