দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছাবে। বিপিসি জানিয়েছে, আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে এই পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া আগামী চার মাসে আরও ৫০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকার এই প্রকল্প পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় করবে।
দেশের জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে জরুরিভিত্তিতে ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে এই ডিজেল পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত এই ডিজেল পাঠানোর পাম্পিং কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। জ্বালানি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই আমদানির ফলে পরিবহন খরচ যেমন কমবে, তেমনি সময়ও অনেক সাশ্রয় হবে। এটি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য যে, বর্তমানের এই চালানের বাইরেও আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আমদানির জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। গত রবিবার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাথে এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই অনুরোধ জানান।
এ ছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি আগে থেকেই বিদ্যমান রয়েছে। তবে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েনে এই প্রক্রিয়াটি সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, যা বিপিসির নিজস্ব তহবিল এবং ব্যাংকঋণের মাধ্যমে সংস্থান করার কথা রয়েছে।