|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 10, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা অপরাধ ছিল: ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা অপরাধ ছিল: ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপটি নিজেই একটি অপরাধ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্যায়ভাবে দমন ও টার্গেট করার জন্যই মূলত সেই সময় জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে আটককৃত শিক্ষার্থীদের ওই দলের সদস্য হিসেবে জোরপূর্বক ট্যাগ করা হতো।

রোববার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে চলা যুক্তিতর্কের তৃতীয় দিনে এসব কথা বলেন প্রসিকিউটর। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় ট্রাইব্যুনালে তৎকালীন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের একটি গোপন টেলিফোন কথোপকথন বা অডিও রেকর্ড তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার। কথোপকথনটি বিশ্লেষণ করে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই ওবায়দুল কাদের ফোন করে আসাদুজ্জামান খানকে ফাইল প্রসেস বা নিষিদ্ধকরণের সরকারি সিদ্ধান্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চান। উত্তরে আসাদুজ্জামান খান জানান যে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফাইলটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক অনুমোদন সাপেক্ষেই তা চূড়ান্ত করা হবে। ওই ফোনালাপে রাতের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করার বিষয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল, যা মূলত জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটির সঙ্গেই সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল বলে ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ। মামলার শুনানিতে অংশ নেওয়া এই আসামিরা সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৫০ দিন সমুদ্রে কাটিয়ে থাইল্যান্ডের পাটায়ায় মার্কিন নৌবাহিনী

1

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে দুই বছরের কা

2

১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

3

তৃণমূলের চেয়ারম্যান হলেন অরূপ রায়

4

ব্যালন ডি’অর জিততে যা করার সবই করেছি: হ্যারি কেইন

5

ইউএই লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলল ইরা

6

লো স্কোরিং রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৬ রানে জয় পেল গায়ানা অ্যামাজন ওয়

7

বদলি নিয়ে তদবির করলেই এসিল্যান্ডদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা:

8

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

9

শিক্ষকদের ফেসবুক ব্যবহারে কড়াকড়ি, মাউশির নতুন নির্দেশনা জারি

10

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অনিশ্চিত বাবর আজম

11

পাবনা সফরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৬ | সফরসূচি ও বিস্ত

12

৬ দিনে দুই ফিফটি মোসাদ্দেকের, লিটনের রেকর্ড

13

বক্স অফিসে ঝড়: দ্বিতীয় সপ্তাহে ১৪৩ মিলিয়ন আয় করল স্পাইডার-ম্

14

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর

15

৭০০০ এমএএইচ ব্যাটারির প্রোটোটাইপ কেন বাদ দিল স্যামসাং?

16

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: নতুন মামলায় আসামি হচ্ছেন হাসানুল হক

17

ভেনেজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্প: ব্যাপক ধ্বংসযজ্

18

দক্ষিণ ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানল: নিরাপদ আশ্রয়ে ১২ হাজার মানুষ

19

আজ ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না সুনামগঞ্জ ও নাটোরের যেসব এলাকায়

20