প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২২৬ রানের লক্ষ্য ২ বল হাতে রেখে তাড়া করে ৪ উইকেটে জিতেছে ভারত। স্যাঞ্জু স্যামসনের ৩৩ বলে ৬৭ আর শেষ দিকে নামান ধিরের ১৫ বলে অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেছে সফরকারীরা।
ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে রানবন্যার ম্যাচে শেষ হাসি হাসল ভারত। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২২৬ রানের বড় লক্ষ্য ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তাড়া করে ফেলেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে গ্লেন ফিলিপসের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহই পায় কিউইরা। ৪০ বলে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় অপরাজিত ৮২ রান করেন ফিলিপস। ফিন অ্যালেন ২৪ বলে ৪৫, বেভন জ্যাকবস ১৬ বলে ৩১ ও ড্যারিল মিচেল ১৯ বলে ২৮ রান যোগ করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।
জবাবে শুরুতেই ঝড় তোলেন দুই ওপেনার স্যাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। মাত্র ৩৫ বলে ৯৩ রানের জুটি গড়েন তারা। ২৩ বলে ফিফটি পূর্ণ করা স্যামসন থামেন ৩৩ বলে ৬৭ রান করে, তার ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা। অভিষেক করেন ১২ বলে ২৯। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ২৮ বলে ৪২ রান যোগ করলেও মাঝখানে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত।
শেষ দিকে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তরুণ নামান ধির। মাত্র ১৫ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় অপরাজিত ৪২ রান করে ২ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ ওভারে ম্যাট হেনরির ওপর চাপ ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করেন ধির ও নিতিশ কুমার রেড্ডি।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে মিচেল স্যান্টনার ও মাইকেল ব্রেসওয়েল ২টি করে উইকেট নেন। সবচেয়ে খরচে বোলার ছিলেন ম্যাট হেনরি, ৩.৪ ওভারে দেন ৫৭ রান। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন স্যাঞ্জু স্যামসন।
উল্লেখ্য, এই ম্যাচ দিয়ে প্রায় চার বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলেন অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আবার মুখোমুখি হবে দুই দল।