
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ফ্লাভিও যত দিন ইচ্ছা তত দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারেন। তবে তাঁর সঙ্গে আপাতত কোনো দ্বিপাক্ষিক বা ব্যক্তিগত বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শনিবার ফ্লোরিডার পাম বিচে নিজের মার-আ-লাগো ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে হেরে যাওয়ার পর চলতি সপ্তাহের শুরুতে ব্রাজিল ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান ফ্লাভিও বলসোনারো।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় বৈঠকে বসতে চলেছেন। এর আগে আটলান্টায় অনুষ্ঠিত জি-২০ ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে তাঁদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়, যার আয়োজন করেছিলেন রুবিও।
আগামী ডিসেম্বর মাসে মিয়ামিতে জি-২০ রাষ্ট্রপ্রধানদের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এই আলোচনা দ্বিপাক্ষিক দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন কমাবে এবং সম্পর্কের বরফ গলাতে সাহায্য করবে।
নির্বাচনে হারের পর ফ্লাভিও বলসোনারোর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং ট্রাম্প প্রশাসন তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা চলছে। তবে মার্কিন প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাভিওকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তাঁর রাজনৈতিক পরিকল্পনায় সরাসরি সমর্থন জানানোর কোনো সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসন নেয়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ বিষয়ে জানিয়েছেন, ফ্লাভিওর ব্রাজিল ছাড়ার বিষয়ে মার্কিন সরকারের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল