
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিশনের লিখিত জবাবে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক উপায়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বা মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে সেটি কোনো স্থায়ী মতবিরোধ নয়। ফাইল প্রথমে সদস্যদের কাছে এবং পরবর্তীতে সিইসির অনুমোদনের পর সম্মিলিতভাবে নথিভুক্ত হয়। এই হলফনামাটিও তিন সদস্যের (জ্ঞানেশ কুমার, সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি) পূর্ণ অনুমোদনে জমা দেওয়া হয়েছে।
বহুল আলোচিত ‘ফর্ম ৬’–এ পরিবর্তনের বিতর্ক পরিষ্কার করে ইসি জানিয়েছে, ফর্ম ৬–এ মূলত কোনো পরিবর্তন করা হয়নি, কারণ তা করার একমাত্র এখতিয়ার কেবল কেন্দ্রীয় সরকারের। তবে নতুন আবেদনকারীদের জন্য মা-বাবা কিংবা দাদা-দাদির নাম ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় ছিল কি না তা জানতে অনলাইনে আলাদা একটি ঘোষণাপত্র যুক্ত করায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। কমিশন এ ক্ষেত্রে ভোটারদের সুবিধার কথা জানিয়ে বলেছে, পুরোনো তালিকায় নাম না থাকা স্বত্ত্বেও শুনানির জন্য কাউকে সশরীরে কার্যালয়ে আসতে হবে না; বরং বুথ স্তরের কর্মকর্তারা (BLO) ঘরে ঘরে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করবেন।
এছাড়াও সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরানোর আবেদন খারিজ করার আহ্বান জানিয়ে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, সংবিধানের নির্ধারিত নিয়ম ও অভিশংসন প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে তাঁর দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার কোনো সুযোগ নেই।