
ফাইনালে কারচুপির গুঞ্জন উড়িয়ে রোমেরো বলেন, "ফাইনালে কিছুই ঘটেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এমন এক জায়গা, যেখানে কেউ বোকামিপূর্ণ কিছু লিখলেও তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। স্পেন নিজেদের কাজ ঠিকঠাক করেছে, আর আমরা কোনোমতে টিকে ছিলাম।" টুর্নামেন্টজুড়ে শারীরিক কষ্টের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, "আমাদের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতেই হিমশিম খেয়েছে। লিয়ান্দ্রো পারেদেস পাঁজরের চোট নিয়ে খেলেছেন, যা নিয়ে কেউ কথাই বলে না। আমি নিজেও টেন্ডনের চোটে ভুগেছি। লিসান্দ্রো, মলিনা, তাগালিয়াফিকো সবাই কোনোমতে ফিট ছিলেন, আর দিবু (মার্টিনেজ) খেলেছেন ভাঙা আঙুল নিয়ে।"
কোচ লিওনেল স্কালোনির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে রোমেরো জানান, হাঁটুর চোট পাওয়ার পর তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন এবং ভেবেছিলেন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন। তবে স্কালোনি তার ওপর ভরসা রেখে স্কোয়াডে রেখেছিলেন।
এদিকে বর্তমান ফুটবল পুরস্কার ও ব্যালন ডি’অর নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে রোমেরো বলেন, "এখন পুরস্কার দেওয়াটা কিছুটা বিপণন বা মার্কেটিংনির্ভর হয়ে গেছে। হয়তো ইনস্টাগ্রামে যার অনুসারী বেশি, তাকেই দেওয়া হবে! তবে লিওনেল মেসি মাঠে যা করে এবং যে প্রভাব তৈরি করে, তার সাথে কারও তুলনাই চলে না। মেসিকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে এই পুরস্কার দেওয়া উচিত নয়।"