
মালয়েশিয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর নতুন করে প্রবেশ করা শরণার্থীদের ক্ষেত্রে শরণার্থী নিবন্ধন নথি (ডিপিপি) প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এর আগে থেকে অবস্থানরত এবং সরকারের নিরাপত্তা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হওয়া কর্মক্ষম নিবন্ধিত শরণার্থীদের দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সেক্টরের শ্রমবাজারে যুক্ত করার একটি সময়োপযোগী পরিকল্পনা ভাবছে মালয়েশিয়া।
কুয়ালালামপুরে দেশটির জাতীয় সংসদে আয়োজিত মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে এসব গুরুত্বপুর্ণ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন যে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি কিংবা তার পূর্ব থেকে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত নিবন্ধিত শরণার্থীদেরই মূলত সরকারের ডিপিপি কাঠামোর আওতায় এনে তদারকি করা হবে। একই সঙ্গে এই নিবন্ধিত মানুষদের মধ্য থেকে যারা শারীরিকভাবে কর্মক্ষম, তাদের মালয়েশিয়ার স্থানীয় শ্রমশক্তির ঘাটতি পূরণে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া আনুমানিক হিসাবের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান যে, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার শরণার্থী বসবাস করছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ডিপিপি প্রক্রিয়ার অধীনে সঠিকভাবে নিবন্ধিত এবং কঠোর নিরাপত্তা দাপ্তরিক যাচাইকরণে সফলভাবে উত্তীর্ণ শরণার্থীদের অর্থনীতির বিভিন্ন বৈধ খাতের শ্রমবাজারে যুক্ত করার সম্ভাবনাগুলো নিয়ে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে চিন্তাভাবনা করছে। নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশটির অনেক খাতের শ্রমিক সংকট নিরসনের পাশাপাশি আশ্রিত এই জনগোষ্ঠী বৈধ উপায়ে উপার্জনের সুযোগ পাবে।