
আগে এশিয়ান গেমসে অস্থায়ীভাবে দুটি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করার সুযোগ হলেও, পাক জাতীয় দলের পূর্ণাঙ্গ অধিনায়ক হিসেবে সাহিবজাদা ফারহানের আনুষ্ঠানিক অভিষেক হলো রাওয়ালপিন্ডিতে। আর অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পাওয়ার সেই ঐতিহাসিক দিনটিকে ব্যাট হাতে এক অবিস্মরণীয় ফিফটিতে স্মরণীয় করে রাখলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের চার উইকেটের দারুণ জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ওপেনার। মাত্র ৫৩ বল মোকাবেলা করে ১০টি চার ও ৪টি দর্শনীয় ছক্কায় সাজানো তাঁর ৮৯ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে সহজ জয় তুলে নেয় স্বাগতিকেরা।
রাওয়ালপিন্ডিতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারী শ্রীলঙ্কা। তাদের পুরো ইনিংসটা একাই টেনে নিয়ে যান ওপেনার লাহিরু উদারা। ওপেনিংয়ে নেমে ১৯তম ওভারে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৫৫ বলে ১১টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৯১ রানের চমৎকার এক ইনিংস উপহার দেন তিনি। তবে উদারা ছাড়া লঙ্কানদের আর কোনো ব্যাটার বড় সংগ্রহ গড়তে পারেননি। কামিন্দু মেন্ডিসের ১৮ বলে ২৩ এবং দাসুন শানাকার ১৫ বলে ১৮ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে লঙ্কানরা পাকিস্তানের সামনে ১৮২ রানের পুঁজি দাঁড় করায়। পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে সফল ছিলেন পেসার নাসিম শাহ, যিনি একাই নেন ৩টি উইকেট।
জবাব দিতে নেমে পাকিস্তানের তিন টপ অর্ডার ব্যাটারের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের কাছে শ্রীলঙ্কার বোলাররা পাত্তা পাননি। উদ্বোধনী জুটিতে ফখর জামানকে সঙ্গে নিয়ে ৫৪ রান যোগ করেন নতুন অধিনায়ক সাহিবজাদা। ফখর আউট হলে ক্রিজে আসেন মাজ সাদাকাত। দ্বিতীয় উইকেটে সাহিবজাদা ও সাদাকাত মাত্র ৫২ বলে দ্রুতগতির ৯২ রানের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের হাতে এনে দেন। ৫০ রান করে মহীশ তিকশানার বলে সাদাকাত যখন প্যাভিলিয়নে ফেরেন, তখন দলের রান ১৪৬। পরবর্তী ৩৩ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে খানিকটা ধাক্কা খেলেও সাত বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক পাকিস্তান।