
ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে নতুন ডিভাইস নিয়ে হাজির হয়েছে vivo। X500 সিরিজের সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল হিসেবে আলোচনায় থাকা vivo X500 Pro Max-এ বড় ব্যাটারি, উচ্চ রেজোলিউশনের ZEISS ক্যামেরা, উন্নত ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী প্রসেসর রাখা হয়েছে। বিশেষ করে মোবাইল ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি ও দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ফোনটিতে।
vivo X500 Pro Max-এ রয়েছে ৬.৮৫ ইঞ্চির 2K LTPO AMOLED ডিসপ্লে। এর রিফ্রেশ রেট সর্বোচ্চ ১৪৪Hz। ফলে দ্রুত স্ক্রলিং, গেমিং কিংবা ভিডিও দেখার সময় মসৃণ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা পাওয়ার কথা। উচ্চ উজ্জ্বলতার ডিসপ্লেটি মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্যও উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।
পারফরম্যান্সের জন্য ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে MediaTek Dimensity 9600 Pro চিপসেট। সর্বোচ্চ ১৬GB RAM ও ১TB স্টোরেজ কনফিগারেশনের কথাও জানা যাচ্ছে। সফটওয়্যার হিসেবে থাকছে Android 17-ভিত্তিক OriginOS 7।
তবে ফোনটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ক্যামেরা সেটআপ। প্রধান ক্যামেরায় রয়েছে ৫০MP Sony LYTIA L910 সেন্সর, সঙ্গে ZEISS T* coating ও OIS সুবিধা। এর পাশাপাশি থাকছে ২০০MP ZEISS APO টেলিফটো ক্যামেরা। দূরের দৃশ্যের ছবি তোলার পাশাপাশি উচ্চ জুমেও বিস্তারিত ধরে রাখার দিকে এই ক্যামেরাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ফোনটিতে ৫০MP আল্ট্রাওয়াইড এবং ৫০MP সেলফি ক্যামেরা থাকার কথা রয়েছে। ভিডিওগ্রাফির ক্ষেত্রেও থাকছে বেশ কিছু উন্নত সুবিধা। এর মধ্যে 4K 120fps Log video, 4K 240fps cinematic slow-motion, 10-bit 4:2:2 encoding এবং ACES support উল্লেখযোগ্য।
ব্যাটারির দিক থেকেও vivo X500 Pro Max বেশ বড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে। ফোনটিতে রয়েছে ৮,০০০mAh BlueVolt ব্যাটারি। চার্জিংয়ের জন্য থাকছে ৯০W wired charging এবং ৪০W wireless charging। বড় ডিসপ্লে ও শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ব্যবহারের পরও দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দেওয়ার লক্ষ্যেই এমন বড় ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।
সুরক্ষার জন্য ফোনটিতে IP68/IP69 রেটিং থাকার কথাও বলা হচ্ছে। অর্থাৎ পানি ও ধুলার বিরুদ্ধে ডিভাইসটি বাড়তি সুরক্ষা দিতে পারবে।
সব মিলিয়ে vivo X500 Pro Max-এর মূল আকর্ষণ হচ্ছে ক্যামেরা, ভিডিওগ্রাফি, পারফরম্যান্স ও ব্যাটারি। বিশেষ করে ২০০MP ZEISS APO টেলিফটো ক্যামেরা, 2K 144Hz ডিসপ্লে এবং ৮,০০০mAh ব্যাটারি ফোনটিকে ফ্ল্যাগশিপ সেগমেন্টে আলাদা করে তুলতে পারে।
তবে বাংলাদেশের বাজারে ফোনটির অফিশিয়াল মূল্য ও সরবরাহ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত অনলাইনে প্রচারিত সম্ভাব্য দামকে চূড়ান্ত মূল্য হিসেবে ধরা ঠিক হবে না। অফিসিয়াল ঘোষণা এলে বাংলাদেশি বাজারে এর দাম ও প্রাপ্যতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।