
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চলা দুর্নীতির অনুসন্ধান ও অভিযোগগুলো ‘এআই দিয়ে তৈরি’ কিনা, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার দুদকের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব সাইদুর রহমান খানের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান যে, অনুসন্ধানে নামার আগে অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ বা ‘প্রাইমা ফেসি’ মিলেছিল কিনা। জবাবে দুদক সচিব জানান, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই কমিশন পরবর্তী ধাপে গেছে এবং অনুসন্ধান প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অভিযোগগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে আগে ছড়িয়ে পড়া ‘এআই দিয়ে তৈরি’ তথ্যের সঙ্গে মিলে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সচিব বলেন, “না, অনেক কথাই বলা হচ্ছে। আপনারা নিজেরাই বুঝতে পারবেন যে এটা মনগড়া কিনা, বা আমরা আমাদের মতো করে কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি কিনা।” এছাড়া বিদেশে সম্পদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পারস্পরিক আইনি সহায়তা বা এমএলএআর (MLAR) পাঠানো হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আইনের আওতায় পড়লে এবং সত্যতার সারবত্তা পাওয়া গেলে অবশ্যই তথ্য ও আইনি সহায়তা চাওয়া হবে।
উল্লেখ্য, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে মোট ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার, নিয়োগ-পদায়নে অর্থ লেনদেন এবং টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগের অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। তবে এর আগে গত রোববার দুদকের তুলে ধরা কয়েকটি অভিযোগের সঙ্গে প্রায় সাত মাস আগে অনলাইনে ছড়ানো একটি প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য মিল পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। ওদিকে আসিফ মাহমুদ এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে একে ‘প্রতিশোধের প্রক্রিয়া’ ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।