
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই পোস্টে অভিনেত্রী বাঁধন লিখেছেন, ‘আমার ও আমার পরিবারের খোঁজ নিতে আমাদের বাসায় এসেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব হুমায়ুন কবির সাহেব। তার এই আন্তরিকতা, সৌজন্য এবং দায়িত্বশীলতার জন্য আমি গভীরভাবে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই কঠিন সময়ে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ তাকে ব্যক্তিগতভাবে আশ্বস্ত করার পাশাপাশি একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাকে আরও দৃঢ় করেছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র যখন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, তখনই নাগরিকদের আস্থার জায়গাটি শক্তিশালী হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইতালিতে ঘটে যাওয়া সেই অপ্রীতিকর ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার, মাননীয় সরকার প্রধান, বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালীয় সরকার, পুলিশ বিভাগ এবং দেশ-বিদেশে যারা বিপদের দিনে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ও নৈতিক সমর্থন জুগিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান বাঁধন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘এই অভিজ্ঞতা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে অন্যায়, ভয় ও বিভাজনের বিরুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ঐক্য, সাহস এবং মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ। মতের পার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজন নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে কোনো আপস হতে পারে না।’ পরিশেষে একটি নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এই অভিনেত্রী।ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। দেশে ফেরার পর এই অভিনেত্রীর বাসায় গিয়ে তার ও তার পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে বাঁধন নিজেই তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।