
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আনীত অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো কোনোভাবেই মনগড়া নয় বলে স্পষ্ট করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সাইদুর রহমান খান। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে অভিযুক্ত দেশগুলোতে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট রিকোয়েস্ট (এমএলআর) বা তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
দুদক সচিব আরও জানান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে তার দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র মন্ত্রণালয় থেকে দুদকে এসে পৌঁছেছে। এর আগে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার, ডিসি পদায়ন ও টেন্ডার কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। এদিকে এই অনুসন্ধানকে রাজনৈতিক হয়রানি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন ও আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। তবে দুদক জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী স্বচ্ছতার সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করেই পরবর্তী কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।