
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অবহেলা বা গাফিলতি করা শিক্ষকদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা জানান। সম্প্রতি খাতা চ্যালেঞ্জ করে তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর নতুন করে জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন যে এত ব্যবধান কেন হলো এবং যারা খাতা ঠিকমতো দেখেননি, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।
ডিসেম্বরের মধ্যেই আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ভঙ্গুর ও দুর্নীতিতে জর্জরিত পরিস্থিতিতে তারা দায়িত্ব গ্রহণ করলেও সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে। এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিকুলাম আধুনিকায়ন ও বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বেকারত্ব দূর করতে হবে। ল’ কোর্সের ফরম ফিলাপের ফি দ্বিগুণ বা তিনগুণ করার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, শিক্ষার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।